বাংলাদেশ ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

স্বর্ণময়ীর মৃত্যু: কারণ উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পুলিশের

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোবহানবাগ এলাকায় নিউজ পোর্টাল ‘ঢাকা স্ট্রিম’-এর গ্রাফিক্স ডিজাইনার স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনায় পারিবারিক অভিমান ও মানসিক হতাশাকেই প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর সোবহানবাগের একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় কোনো ধরনের যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয় এবং ১৯ এপ্রিল আদালত তা গ্রহণ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত ও ব্যক্তিগত নথি উদ্ধার করা হয়। সেখানে পাওয়া লেখায় পারিবারিক সম্পর্ক, অবহেলার অনুভূতি এবং মানসিক চাপে ভোগার কথা উঠে এসেছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার দিন তার আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বাসায় এসে পরিস্থিতি গুরুতর বুঝতে পারেন এবং তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন।

পুলিশের প্রতিবেদনে সামগ্রিকভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও পারিবারিক অভিমান থেকেই এ মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত।

kalprakash.com/SAS

সোমবার, ৪ মে ২০২৬
স্বর্ণময়ীর মৃত্যু: কারণ উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পুলিশের
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বর্ণময়ীর মৃত্যু: কারণ উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পুলিশের

প্রকাশিত: ১০:৪০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোবহানবাগ এলাকায় নিউজ পোর্টাল ‘ঢাকা স্ট্রিম’-এর গ্রাফিক্স ডিজাইনার স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনায় পারিবারিক অভিমান ও মানসিক হতাশাকেই প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর সোবহানবাগের একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় কোনো ধরনের যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয় এবং ১৯ এপ্রিল আদালত তা গ্রহণ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত ও ব্যক্তিগত নথি উদ্ধার করা হয়। সেখানে পাওয়া লেখায় পারিবারিক সম্পর্ক, অবহেলার অনুভূতি এবং মানসিক চাপে ভোগার কথা উঠে এসেছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার দিন তার আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বাসায় এসে পরিস্থিতি গুরুতর বুঝতে পারেন এবং তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন।

পুলিশের প্রতিবেদনে সামগ্রিকভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও পারিবারিক অভিমান থেকেই এ মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত।

kalprakash.com/SAS

সোমবার, ৪ মে ২০২৬
স্বর্ণময়ীর মৃত্যু: কারণ উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পুলিশের