বাংলাদেশ ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব, আলাদা অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুম সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে আলাদা অধ্যাদেশ জারির প্রয়োজন ছিল না। তার মতে, ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যেই এ ধরনের অপরাধের বিচার করার পূর্ণ সুযোগ আগে থেকেই ছিল।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গুম অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত অপরাধগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে পূর্ব থেকেই সংবিধিবদ্ধ ছিল। তাই নতুন করে পৃথক আইন প্রণয়নের যৌক্তিকতা তিনি দেখেন না।

তিনি আরও বলেন, গুম অধ্যাদেশ বাতিল করে ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী হয়েছে। এ পদক্ষেপের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এদিকে, জাতীয় সংসদে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল ২০২৬’ পাস হয়েছে, যার মাধ্যমে গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এর ফলে গুমের বিচার প্রক্রিয়া আরও সুস্পষ্ট ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

kalprakash.com/SS

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব, আলাদা অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়: চিফ প্রসিকিউটর
জনপ্রিয় সংবাদ

গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব, আলাদা অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশিত: ০৪:০১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুম সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে আলাদা অধ্যাদেশ জারির প্রয়োজন ছিল না। তার মতে, ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যেই এ ধরনের অপরাধের বিচার করার পূর্ণ সুযোগ আগে থেকেই ছিল।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গুম অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত অপরাধগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে পূর্ব থেকেই সংবিধিবদ্ধ ছিল। তাই নতুন করে পৃথক আইন প্রণয়নের যৌক্তিকতা তিনি দেখেন না।

তিনি আরও বলেন, গুম অধ্যাদেশ বাতিল করে ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী হয়েছে। এ পদক্ষেপের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এদিকে, জাতীয় সংসদে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল ২০২৬’ পাস হয়েছে, যার মাধ্যমে গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এর ফলে গুমের বিচার প্রক্রিয়া আরও সুস্পষ্ট ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

kalprakash.com/SS

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব, আলাদা অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়: চিফ প্রসিকিউটর