দ্বিতীয় দিনের মতো ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় প্রতিটি সেক্টরে নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করছেন। প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন শৃঙ্খলা ও অবকাঠামো উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে তারা নিরলসভাবে অবদান রাখলেও, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল ঘোষণার পর প্রায় ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি।
স্মারকলিপিতে ৯ম পে স্কেলের দাবির পক্ষে উল্লেখিত যুক্তি:
১। দীর্ঘ সময় বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত থাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায্য অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।
২। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাসা ভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা খরচ বৃদ্ধি পেলেও বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে।
৩। সরকারি চাকরির মর্যাদা ও আকর্ষণ কমে যাওয়ায় কর্মচারীদের মনোবল ও দায়িত্ববোধে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
৪। ন্যায্য বেতন নিশ্চিত করলে প্রশাসনিক কার্যকারিতা ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে।
৫। সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্রের উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবেন।
কর্মচারীরা স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৯ম পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ নির্ধারণ ও তা দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মচারীদের মুখে হাসি ফিরিয়ে দিক এবং তাদের জীবনযাত্রার মান দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সহায়তা করুন।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























