বাংলাদেশ ১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

বরাদ্দ তালিকায় নাম থাকলেও পাননি সোলার লাইট: ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সোলার লাইট স্থাপনের সরকারি বরাদ্দ তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বাস্তবে লাইট না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর মো. রুহুল আমিন ৮ নম্বর জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনপুর মধ্যপাড়ায় মোবারক মাস্টারের বাড়ি ও নন্দী বাড়ির সংযোগস্থল, হোসেনপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে একটি সোলার লাইট স্থাপনের জন্য আবেদন করেন।

পরবর্তীতে প্রকাশিত সরকারি বরাদ্দ তালিকায় ১৮২ নম্বরে উল্লিখিত স্থানটির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সেখানে কোনো সোলার লাইট স্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মো. রুহুল আমিন জানান, গত মে মাসে দেবিদ্বারে সোলার লাইট স্থাপন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে বিষয়টি তার নজরে আসে। এরপর তিনি বরাদ্দের তালিকা যাচাই করে দেখতে পান যে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানটি অনুমোদিত হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো সোলার লাইট বসানো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সুবিধা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকার পরও রহস্যজনক কারণে ওই স্থানে সোলার লাইট স্থাপন করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও অসন্তোষ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন, সংশ্লিষ্ট স্থানে সোলার লাইট স্থাপন এবং বরাদ্দ তালিকায় নাম থাকার পরও কেন লাইট দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বরাদ্দ তালিকায় নাম থাকলেও পাননি সোলার লাইট: ইউএনও’র কাছে অভিযোগ
জনপ্রিয় সংবাদ

বরাদ্দ তালিকায় নাম থাকলেও পাননি সোলার লাইট: ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

প্রকাশিত: ১১:৫২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সোলার লাইট স্থাপনের সরকারি বরাদ্দ তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বাস্তবে লাইট না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর মো. রুহুল আমিন ৮ নম্বর জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনপুর মধ্যপাড়ায় মোবারক মাস্টারের বাড়ি ও নন্দী বাড়ির সংযোগস্থল, হোসেনপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে একটি সোলার লাইট স্থাপনের জন্য আবেদন করেন।

পরবর্তীতে প্রকাশিত সরকারি বরাদ্দ তালিকায় ১৮২ নম্বরে উল্লিখিত স্থানটির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সেখানে কোনো সোলার লাইট স্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মো. রুহুল আমিন জানান, গত মে মাসে দেবিদ্বারে সোলার লাইট স্থাপন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে বিষয়টি তার নজরে আসে। এরপর তিনি বরাদ্দের তালিকা যাচাই করে দেখতে পান যে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানটি অনুমোদিত হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো সোলার লাইট বসানো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সুবিধা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকার পরও রহস্যজনক কারণে ওই স্থানে সোলার লাইট স্থাপন করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও অসন্তোষ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন, সংশ্লিষ্ট স্থানে সোলার লাইট স্থাপন এবং বরাদ্দ তালিকায় নাম থাকার পরও কেন লাইট দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বরাদ্দ তালিকায় নাম থাকলেও পাননি সোলার লাইট: ইউএনও’র কাছে অভিযোগ