বাংলাদেশ ১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পুলিশের অভিযানে ১০ আসামি আদালতে, উদ্ধার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক পরিবারের জিম্মায়

বাগেরহাটের চিতলমারীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। একই সময়ে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে উদ্ধার করে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোল্লাহাট থানার জিডি নং-৭৮১, তারিখ ১৫ জুন ২০২৬-এর ভিত্তিতে মানসিক প্রতিবন্ধী শেখ সাদী (২২), পিতা মাহাতাব শেখ, গ্রাম দাড়িয়ালা, ইউনিয়ন গাংনী, থানা মোল্লাহাট, জেলা বাগেরহাটকে ১৬ জুন চিতলমারী উপজেলার কলিগাতি বাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ বেগম রোকেয়ার নির্দেশনায় তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার পিতা থানায় এসে তাকে নিজ জিম্মায় গ্রহণ করেন।

অন্যদিকে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল অভিযানে দ্রুত বিচার মামলা নং-৪৬/২৬ (চিতলমারী)-এর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন হিজলা গ্রামের মৃত কামাল কাজীর ছেলে হাবিবুল্লাহ কাজী ওরফে হাবু কাজী, মৃত মোস্তফা মল্লিকের ছেলে সেলিম মল্লিক, নূর মোহাম্মদ কাজীর ছেলে সোহেল কাজী এবং সেলিম মল্লিকের ছেলে দ্বীন ইসলাম মল্লিক। পৃথক অভিযানে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া সাজা জিআর নং-৩৭/২৩ মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাবুয়ানা গ্রামের ফুল মোহন পাণ্ডের ছেলে প্রণয় পাণ্ডেকে খাসেরহাট বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকবিরোধী অভিযানে দড়ি উমাজুড়ি গ্রামের মৃত বরুন মৃধার ছেলে বাঁধন মৃধা (২০)-কে ৭৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় চিতলমারী থানায় মামলা নং-০৫ দায়ের করা হয়েছে, যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারণি ১৯(ক) অনুযায়ী রুজু করা হয়েছে।

একই দিনে বড়বাড়িয়া (চরপাড়া) গ্রামের শহিদুল শেখের ছেলে ইমন শেখ (২৩)-কে ১৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে চিতলমারী থানায় মামলা নং-০৭ দায়ের করা হয়েছে, যা একই আইনের ৩৬(১) ধারার সারণি ১০(ক) অনুযায়ী রুজু করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ইব্রাহীম শেখ, নয়ন এবং রুহুল আমিন শেখকে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে আইনানুগ দণ্ড প্রদান করা হয়।

চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ বেগম রোকেয়া বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে থানা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

পরে গ্রেপ্তারকৃত ১০ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্বজনরা।

kalprakash.com/SAS

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
পুলিশের অভিযানে ১০ আসামি আদালতে, উদ্ধার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক পরিবারের জিম্মায়
জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের অভিযানে ১০ আসামি আদালতে, উদ্ধার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক পরিবারের জিম্মায়

প্রকাশিত: ০৩:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। একই সময়ে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে উদ্ধার করে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোল্লাহাট থানার জিডি নং-৭৮১, তারিখ ১৫ জুন ২০২৬-এর ভিত্তিতে মানসিক প্রতিবন্ধী শেখ সাদী (২২), পিতা মাহাতাব শেখ, গ্রাম দাড়িয়ালা, ইউনিয়ন গাংনী, থানা মোল্লাহাট, জেলা বাগেরহাটকে ১৬ জুন চিতলমারী উপজেলার কলিগাতি বাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ বেগম রোকেয়ার নির্দেশনায় তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার পিতা থানায় এসে তাকে নিজ জিম্মায় গ্রহণ করেন।

অন্যদিকে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল অভিযানে দ্রুত বিচার মামলা নং-৪৬/২৬ (চিতলমারী)-এর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন হিজলা গ্রামের মৃত কামাল কাজীর ছেলে হাবিবুল্লাহ কাজী ওরফে হাবু কাজী, মৃত মোস্তফা মল্লিকের ছেলে সেলিম মল্লিক, নূর মোহাম্মদ কাজীর ছেলে সোহেল কাজী এবং সেলিম মল্লিকের ছেলে দ্বীন ইসলাম মল্লিক। পৃথক অভিযানে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া সাজা জিআর নং-৩৭/২৩ মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাবুয়ানা গ্রামের ফুল মোহন পাণ্ডের ছেলে প্রণয় পাণ্ডেকে খাসেরহাট বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকবিরোধী অভিযানে দড়ি উমাজুড়ি গ্রামের মৃত বরুন মৃধার ছেলে বাঁধন মৃধা (২০)-কে ৭৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় চিতলমারী থানায় মামলা নং-০৫ দায়ের করা হয়েছে, যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারণি ১৯(ক) অনুযায়ী রুজু করা হয়েছে।

একই দিনে বড়বাড়িয়া (চরপাড়া) গ্রামের শহিদুল শেখের ছেলে ইমন শেখ (২৩)-কে ১৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে চিতলমারী থানায় মামলা নং-০৭ দায়ের করা হয়েছে, যা একই আইনের ৩৬(১) ধারার সারণি ১০(ক) অনুযায়ী রুজু করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ইব্রাহীম শেখ, নয়ন এবং রুহুল আমিন শেখকে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে আইনানুগ দণ্ড প্রদান করা হয়।

চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ বেগম রোকেয়া বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে থানা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

পরে গ্রেপ্তারকৃত ১০ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্বজনরা।

kalprakash.com/SAS

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
পুলিশের অভিযানে ১০ আসামি আদালতে, উদ্ধার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক পরিবারের জিম্মায়