দেশের অর্থনীতিতে রিয়েল এস্টেট ও আবাসন খাতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নির্মাণ খাতসহ রিয়েল এস্টেট সেক্টরের সম্মিলিত অবদান দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) কর্তৃক পরিচালিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রিয়েল এস্টেট খাতের অবদান’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। সোমবার রাজধানীর বাংলামোটরে রিহ্যাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে খাত সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাবের রিসার্চ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক ড. মো. হারুন অর রশিদ।
গবেষণায় বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মধ্যে রিয়েল এস্টেট কার্যক্রমের আর্থিক মূল্য তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুত নগরায়ণ, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির আবাসন চাহিদা বৃদ্ধির কারণে খাতের সম্প্রসারণ ঘটছে।
সভাপতির বক্তব্যে ড. হারুন অর রশিদ উল্লেখ করেন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার এবং নকশা ও অনুমোদন সংক্রান্ত জটিলতা খাতের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, নীতিগত সহায়তা বৃদ্ধি, সহজ ঋণপ্রাপ্তি এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও দ্রুত করলে খাত আরও গতিশীল হবে।
বক্তারা বলেন, রিয়েল এস্টেট খাত সরাসরি নয়, বরং পরোক্ষভাবেও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। নির্মাণসামগ্রী, পরিবহন, শ্রমবাজারসহ বিভিন্ন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর নীতিমালার মাধ্যমে রিয়েল এস্টেট খাত দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অ
kalprakash.com/SS
বাণিজ্য ডেস্ক 

























