বাংলাদেশ ০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও নেই রাস্তা, দুর্ভোগে ধরমন্ডলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসী

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের ভাগ্যে জোটেনি একটি চলাচলযোগ্য রাস্তা। প্রতি নির্বাচনে নানা প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া পাননি এলাকাবাসী। ফলে বছরের পর বছর দুর্ভোগ নিয়েই জীবন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা রাস্তাটি কাদার সাগরে পরিণত হয়। তখন হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহনই চলাচল করতে পারে না। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের। জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাদের খাটিয়ায় বা মানুষের কাঁধে করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হয়। সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় অনেক সময় রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে।

শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

একজন ভুক্তভোগী বাসিন্দা বলেন, “নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা এসে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। ভোট শেষ হলে আর কেউ আমাদের খোঁজ নেন না। আমরা কোনো বিলাসী উন্নয়ন চাই না, শুধু এমন একটি রাস্তা চাই, যেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।”

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও নেই রাস্তা, দুর্ভোগে ধরমন্ডলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসী
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও নেই রাস্তা, দুর্ভোগে ধরমন্ডলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসী

প্রকাশিত: ০৩:০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের ভাগ্যে জোটেনি একটি চলাচলযোগ্য রাস্তা। প্রতি নির্বাচনে নানা প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া পাননি এলাকাবাসী। ফলে বছরের পর বছর দুর্ভোগ নিয়েই জীবন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা রাস্তাটি কাদার সাগরে পরিণত হয়। তখন হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহনই চলাচল করতে পারে না। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের। জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাদের খাটিয়ায় বা মানুষের কাঁধে করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হয়। সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় অনেক সময় রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে।

শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

একজন ভুক্তভোগী বাসিন্দা বলেন, “নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা এসে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। ভোট শেষ হলে আর কেউ আমাদের খোঁজ নেন না। আমরা কোনো বিলাসী উন্নয়ন চাই না, শুধু এমন একটি রাস্তা চাই, যেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।”

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও নেই রাস্তা, দুর্ভোগে ধরমন্ডলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসী