বাংলাদেশ ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

প্রকাশ নয়, দায়িত্বই যাঁদের পরিচয়— বিশ্ব বাবা দিবসে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

বিশ্ব বাবা দিবস। (ছবিঃ কাল প্রকাশ)

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দিনটি নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে সর্বত্র। তবে বাবা দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি সেই মানুষটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন, যিনি পরিবারের জন্য সারাটি জীবন নীরবে ত্যাগ স্বীকার করে যান।

প্রতিটি সন্তানের জীবনেই বাবা একজন মুখ্য ব্যক্তিত্ব। সন্তানের জনক হওয়ার পূর্বে একজন পুরুষের চিন্তাভাবনা ও জীবনদর্শন এক রকম থাকলেও বাবা হওয়ার পর অধিকাংশ পুরুষের জীবনেই আমূল পরিবর্তন আসে। দায়িত্ববোধ বেড়ে যায় বহুগুণ। নিজের চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে পরিবারের সুখ, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ তখন তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

স্ত্রী-সন্তান তথা পরিবারের কল্যাণে সারাজীবন নিরলস পরিশ্রম করে যাওয়া মানুষটির নাম বাবা। সংসারের প্রয়োজনে তিনি ত্যাগ স্বীকার করেন, নিজের কষ্টকে আড়াল করেন এবং পরিবারের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে নীরবে সংগ্রাম করে যান। অথচ তাঁর এই শ্রম, ত্যাগ ও আত্মনিবেদনের কথা খুব কমই আলোচনায় আসে।

কথায় বলে, যার বাবা নেই সেই বোঝে বাবা হারানোর বেদনা কতটা গভীর। এটি শুধু একটি প্রবাদ নয়, বাস্তব জীবনের এক নির্মম সত্য। বাবা বটবৃক্ষের মতো— সন্তানের জীবনে সবচেয়ে বড় আশ্রয়, সবচেয়ে নিরাপদ ছায়া। তাঁর উপস্থিতি সন্তানের জন্য সাহস, আত্মবিশ্বাস ও নির্ভরতার প্রতীক। বাবাদের কষ্টের কথা খুব একটা প্রকাশ পায় না। কারণ তাঁরা বাবা— নিজের দুঃখ লুকিয়ে রেখে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোই যাঁদের জীবনের প্রধান দায়িত্ব।

আজকের এই বাবা দিবসে একটি বিষয় নতুন করে উপলব্ধি করা প্রয়োজন— সন্তানের জীবনে বাবার সম্পদের চেয়ে বাবা নিজে থাকাটাই অনেক বেশি জরুরি। একজন বাবা শুধু উপার্জনকারী নন; তিনি একজন অভিভাবক, শিক্ষক, পথপ্রদর্শক এবং জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মানুষ। সন্তানরা তাঁদের জনককে বিভিন্ন নামে ডেকে থাকে— বাবা, আব্বা, আব্বু, পিতা কিংবা আব্বাজান। সম্বোধন ভিন্ন হলেও অনুভূতি একটাই— ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও নির্ভরতা।

আমি আমার বাবাকে হারিয়েছি ১৪৪৪ হিজরির ১লা রমজানে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, “কুল্লু নাফসিন যায়িকাতুল মাউত”—প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটাই পৃথিবীর চিরন্তন সত্য। তবুও প্রিয়জনের বিদায় মেনে নেওয়া কখনো সহজ হয় না।

জীবিত থাকতে বাবাকে কখনো বলা হয়নি, “আব্বা, তোমাকে ভালোবাসি”। হয়তো ভেবেছিলাম, তিনি এমনিতেই জানেন। হয়তো মনে হয়েছিল, এই কথাগুলো বলার জন্য আরও অনেক সময় পড়ে আছে। কিন্তু জীবন সব সময় মানুষের ভাবনার পথে চলে না। আব্বা চলে গেলেন হঠাৎ-ই….

যেদিন বাবার নিথর দেহটি আমার সামনে শায়িত ছিল, সেদিন নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি। তাঁকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কেঁদেছিলাম। বারবার বলেছিলাম, “আব্বা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি” কিন্তু সেই মুহূর্তেই উপলব্ধি করেছিলাম, কিছু ভালোবাসা জীবিত অবস্থায় প্রকাশ করা উচিত ছিল। কারণ মৃত্যুর পর উচ্চারিত ভালোবাসা হৃদয়ের ভার কিছুটা লাঘব করলেও অপূর্ণতার বেদনা থেকে যায় আজীবন।

আজ আমি নিজেও একজন বাবা। সন্তানের মুখের দিকে তাকালে হৃদয়ে যে প্রশান্তি অনুভব করি, তার সঙ্গে পৃথিবীর আর কোনো কিছুর তুলনা চলে না। দিনের সব ক্লান্তি, ব্যস্ততা আর সংগ্রাম যেন এক মুহূর্তেই দূর হয়ে যায় সন্তানের একটি হাসিতে। তখন বুঝতে পারি, একজন বাবা কেন নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেন, কেন সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য নিজের বর্তমানকে উৎসর্গ করেন।

আজ উপলব্ধি করি, বাবার ভালোবাসা আসলে খুব বেশি উচ্চারিত হয় না। এটি প্রকাশের চেয়ে দায়িত্বে বেশি দৃশ্যমান। যে ভালোবাসা সন্তানের সাফল্যে নিজের সুখ খুঁজে পায়, সন্তানের নিরাপত্তার জন্য নিজের স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে, প্রতিদানের আশা না করে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে যায়— সেটিই বাবার ভালোবাসা।

হয়তো এ কারণেই বাবারা খুব কম বলেন, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।” তাঁরা ভালোবাসেন নীরবে, দায়িত্বের আড়ালে, ত্যাগের ভেতর দিয়ে। আর সন্তানেরা অনেক সময় সেই ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে শেখে তখনই, যখন বাবার শূন্যতা তাদের জীবনের অংশ হয়ে যায় কিংবা যখন নিজেরাও বাবা হয়।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমার বাবা, মরহুম মোঃ আবদুল লতিফ সরদার, ১৯৫৩ সালের ১৯ জুন বরিশাল জেলার সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়ীয়া ইউনিয়নের সিংহেরকাঠী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পতাং মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, বাকেরগঞ্জ ও ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং যশোর সিটি কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনে তিনি তালুকদারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এবং পরবর্তীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তিনি পুরান ঢাকায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

দীর্ঘ কর্মময় জীবন শেষে তিনি ২০২৩ সালের ২৪ মার্চ, পবিত্র রমজানের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে, ইফতারের মাত্র সাত মিনিট আগে ইন্তেকাল করেন।

বিশ্ব বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। আর যাঁরা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তাঁদের জন্য রইল অন্তরের দোয়া। মহান আল্লাহ তাআলা আমার বাবা মরহুম মোঃ আবদুল লতিফ সরদারসহ সকল প্রয়াত বাবাকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন, আমিন।

রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশ নয়, দায়িত্বই যাঁদের পরিচয়— বিশ্ব বাবা দিবসে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশ নয়, দায়িত্বই যাঁদের পরিচয়— বিশ্ব বাবা দিবসে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত: ০২:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দিনটি নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে সর্বত্র। তবে বাবা দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি সেই মানুষটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন, যিনি পরিবারের জন্য সারাটি জীবন নীরবে ত্যাগ স্বীকার করে যান।

প্রতিটি সন্তানের জীবনেই বাবা একজন মুখ্য ব্যক্তিত্ব। সন্তানের জনক হওয়ার পূর্বে একজন পুরুষের চিন্তাভাবনা ও জীবনদর্শন এক রকম থাকলেও বাবা হওয়ার পর অধিকাংশ পুরুষের জীবনেই আমূল পরিবর্তন আসে। দায়িত্ববোধ বেড়ে যায় বহুগুণ। নিজের চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে পরিবারের সুখ, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ তখন তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

স্ত্রী-সন্তান তথা পরিবারের কল্যাণে সারাজীবন নিরলস পরিশ্রম করে যাওয়া মানুষটির নাম বাবা। সংসারের প্রয়োজনে তিনি ত্যাগ স্বীকার করেন, নিজের কষ্টকে আড়াল করেন এবং পরিবারের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে নীরবে সংগ্রাম করে যান। অথচ তাঁর এই শ্রম, ত্যাগ ও আত্মনিবেদনের কথা খুব কমই আলোচনায় আসে।

কথায় বলে, যার বাবা নেই সেই বোঝে বাবা হারানোর বেদনা কতটা গভীর। এটি শুধু একটি প্রবাদ নয়, বাস্তব জীবনের এক নির্মম সত্য। বাবা বটবৃক্ষের মতো— সন্তানের জীবনে সবচেয়ে বড় আশ্রয়, সবচেয়ে নিরাপদ ছায়া। তাঁর উপস্থিতি সন্তানের জন্য সাহস, আত্মবিশ্বাস ও নির্ভরতার প্রতীক। বাবাদের কষ্টের কথা খুব একটা প্রকাশ পায় না। কারণ তাঁরা বাবা— নিজের দুঃখ লুকিয়ে রেখে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোই যাঁদের জীবনের প্রধান দায়িত্ব।

আজকের এই বাবা দিবসে একটি বিষয় নতুন করে উপলব্ধি করা প্রয়োজন— সন্তানের জীবনে বাবার সম্পদের চেয়ে বাবা নিজে থাকাটাই অনেক বেশি জরুরি। একজন বাবা শুধু উপার্জনকারী নন; তিনি একজন অভিভাবক, শিক্ষক, পথপ্রদর্শক এবং জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মানুষ। সন্তানরা তাঁদের জনককে বিভিন্ন নামে ডেকে থাকে— বাবা, আব্বা, আব্বু, পিতা কিংবা আব্বাজান। সম্বোধন ভিন্ন হলেও অনুভূতি একটাই— ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও নির্ভরতা।

আমি আমার বাবাকে হারিয়েছি ১৪৪৪ হিজরির ১লা রমজানে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, “কুল্লু নাফসিন যায়িকাতুল মাউত”—প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটাই পৃথিবীর চিরন্তন সত্য। তবুও প্রিয়জনের বিদায় মেনে নেওয়া কখনো সহজ হয় না।

জীবিত থাকতে বাবাকে কখনো বলা হয়নি, “আব্বা, তোমাকে ভালোবাসি”। হয়তো ভেবেছিলাম, তিনি এমনিতেই জানেন। হয়তো মনে হয়েছিল, এই কথাগুলো বলার জন্য আরও অনেক সময় পড়ে আছে। কিন্তু জীবন সব সময় মানুষের ভাবনার পথে চলে না। আব্বা চলে গেলেন হঠাৎ-ই….

যেদিন বাবার নিথর দেহটি আমার সামনে শায়িত ছিল, সেদিন নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি। তাঁকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কেঁদেছিলাম। বারবার বলেছিলাম, “আব্বা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি” কিন্তু সেই মুহূর্তেই উপলব্ধি করেছিলাম, কিছু ভালোবাসা জীবিত অবস্থায় প্রকাশ করা উচিত ছিল। কারণ মৃত্যুর পর উচ্চারিত ভালোবাসা হৃদয়ের ভার কিছুটা লাঘব করলেও অপূর্ণতার বেদনা থেকে যায় আজীবন।

আজ আমি নিজেও একজন বাবা। সন্তানের মুখের দিকে তাকালে হৃদয়ে যে প্রশান্তি অনুভব করি, তার সঙ্গে পৃথিবীর আর কোনো কিছুর তুলনা চলে না। দিনের সব ক্লান্তি, ব্যস্ততা আর সংগ্রাম যেন এক মুহূর্তেই দূর হয়ে যায় সন্তানের একটি হাসিতে। তখন বুঝতে পারি, একজন বাবা কেন নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেন, কেন সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য নিজের বর্তমানকে উৎসর্গ করেন।

আজ উপলব্ধি করি, বাবার ভালোবাসা আসলে খুব বেশি উচ্চারিত হয় না। এটি প্রকাশের চেয়ে দায়িত্বে বেশি দৃশ্যমান। যে ভালোবাসা সন্তানের সাফল্যে নিজের সুখ খুঁজে পায়, সন্তানের নিরাপত্তার জন্য নিজের স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে, প্রতিদানের আশা না করে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে যায়— সেটিই বাবার ভালোবাসা।

হয়তো এ কারণেই বাবারা খুব কম বলেন, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।” তাঁরা ভালোবাসেন নীরবে, দায়িত্বের আড়ালে, ত্যাগের ভেতর দিয়ে। আর সন্তানেরা অনেক সময় সেই ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে শেখে তখনই, যখন বাবার শূন্যতা তাদের জীবনের অংশ হয়ে যায় কিংবা যখন নিজেরাও বাবা হয়।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমার বাবা, মরহুম মোঃ আবদুল লতিফ সরদার, ১৯৫৩ সালের ১৯ জুন বরিশাল জেলার সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়ীয়া ইউনিয়নের সিংহেরকাঠী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পতাং মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, বাকেরগঞ্জ ও ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং যশোর সিটি কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনে তিনি তালুকদারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এবং পরবর্তীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তিনি পুরান ঢাকায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

দীর্ঘ কর্মময় জীবন শেষে তিনি ২০২৩ সালের ২৪ মার্চ, পবিত্র রমজানের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে, ইফতারের মাত্র সাত মিনিট আগে ইন্তেকাল করেন।

বিশ্ব বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। আর যাঁরা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তাঁদের জন্য রইল অন্তরের দোয়া। মহান আল্লাহ তাআলা আমার বাবা মরহুম মোঃ আবদুল লতিফ সরদারসহ সকল প্রয়াত বাবাকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন, আমিন।

রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশ নয়, দায়িত্বই যাঁদের পরিচয়— বিশ্ব বাবা দিবসে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা