বাংলাদেশ ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর ইন্তেকাল

বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি, একুশে পদকপ্রাপ্ত আল মুজাহিদী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ২টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুল্লাহ মানসুর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও হৃদরোগে ভুগছিলেন এই কবি। প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। সাহিত্যাঙ্গনে তার অবদান ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বহুমাত্রিক। তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ছাত্রজীবনে সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করেন।

তার সাহিত্যকর্মের ভাণ্ডার বিস্তৃত—কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, গল্প, শিশুসাহিত্য, প্রবন্ধ ও অনুবাদ মিলিয়ে অসংখ্য গ্রন্থ তিনি রচনা করেছেন। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে হেমলকের পেয়ালা, যুদ্ধ নাস্তি, প্রিজন ভ্যান, পৃথিবীর ধুলো, কাঁদো হিরোশিমা কাঁদো নাগাসাকি প্রভৃতি। এছাড়া তিনি উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ, শিশুতোষ রচনা ও গবেষণাধর্মী কাজেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদকসহ জীবনানন্দ দাশ একাডেমি পুরস্কার, কবি জসীম উদ্‌দীন একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার, জয়বাংলা সাহিত্য পুরস্কার এবং অন্যান্য সম্মাননায় ভূষিত হন।

তার মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর ইন্তেকাল
জনপ্রিয় সংবাদ

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর ইন্তেকাল

প্রকাশিত: ০৫:০৪:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি, একুশে পদকপ্রাপ্ত আল মুজাহিদী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ২টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুল্লাহ মানসুর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও হৃদরোগে ভুগছিলেন এই কবি। প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। সাহিত্যাঙ্গনে তার অবদান ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বহুমাত্রিক। তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ছাত্রজীবনে সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করেন।

তার সাহিত্যকর্মের ভাণ্ডার বিস্তৃত—কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, গল্প, শিশুসাহিত্য, প্রবন্ধ ও অনুবাদ মিলিয়ে অসংখ্য গ্রন্থ তিনি রচনা করেছেন। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে হেমলকের পেয়ালা, যুদ্ধ নাস্তি, প্রিজন ভ্যান, পৃথিবীর ধুলো, কাঁদো হিরোশিমা কাঁদো নাগাসাকি প্রভৃতি। এছাড়া তিনি উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ, শিশুতোষ রচনা ও গবেষণাধর্মী কাজেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদকসহ জীবনানন্দ দাশ একাডেমি পুরস্কার, কবি জসীম উদ্‌দীন একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার, জয়বাংলা সাহিত্য পুরস্কার এবং অন্যান্য সম্মাননায় ভূষিত হন।

তার মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর ইন্তেকাল