বিশ্বকাপ জয়ের পরের আসরে প্রথম ম্যাচে হারের এক অদ্ভুত ইতিহাস যেন বারবার তাড়া করে ফিরছে আর্জেন্টিনাকে। ১৯৭৮ সালে ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের পর ১৯৮২ সালের আসরে বেলজিয়ামের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাত্রা শুরু করেছিল আলবিসেলেস্তেরা।
এরপর ১৯৯০ বিশ্বকাপেও একই চিত্র দেখা যায়। ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার জাদুতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ক্যামেরুনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শুরু হয় তাদের পরবর্তী অভিযান। সেই ম্যাচে আফ্রিকান দলটির হয়ে জয়সূচক গোল করেন ফ্রাঁসোয়া ওমাম-বিয়িক।
তবে ইতিহাস শুধু হতাশার নয়, ঘুরে দাঁড়ানোরও। ১৯৯০ বিশ্বকাপে শুরুতে ধাক্কা খেলেও আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় ফাইনালে। যদিও শিরোপা জেতা হয়নি, পশ্চিম জার্মানির কাছে হেরে রানার্সআপ হয় তারা। আবার ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হার দিয়ে শুরু করেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় লিওনেল স্কালোনির দল।
এবার ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশনের শুরুতে আবারও সেই ইতিহাসের ছায়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী বুধবার ভোরে কানসাসে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
দলের শক্তি ও আত্মবিশ্বাস দুই-ই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা আর্জেন্টিনা ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের ১৭ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে এবারও এগোচ্ছে। তবে সতর্ক কোচ লিওনেল স্কালোনি।
তিনি বলেন, আলজেরিয়ার আক্রমণভাগে দ্রুতগতির খেলোয়াড় রয়েছে, যারা যেকোনো মুহূর্তে বিপদ তৈরি করতে পারে। তাই ম্যাচে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।
স্কালোনি আরও জানান, আলজেরিয়ার খেলার ধরণ কিছুটা মরক্কোর মতো। প্রতিপক্ষকে সম্মান দিয়ে খেলাটাই হবে মূল কৌশল।
তার মতে, বিশ্বকাপের শুরুতে মানসিক স্থিরতা খুব গুরুত্বপূর্ণ হলেও একটি ম্যাচই পুরো টুর্নামেন্ট নির্ধারণ করে না। তাই দল চাপমুক্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলায় মনোযোগ দেবে।
kalprakash.com/SAS
অনলাইন ডেস্ক 






















