মধ্যপ্রাচ্যে আবারও চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইরান বৈরুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। একই সময়ে ইয়েমেনভিত্তিক হুথি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, ফলে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের হামলার পর তারা পশ্চিম ও মধ্য ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সামরিক অবকাঠামো।
এর আগে ইরান অন্তত ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করে। এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল ইরানের প্রথম সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ইসরায়েল দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
একই সময়ে হুথি গোষ্ঠীও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে বলে জানায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। ইরানঘনিষ্ঠ এই গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানে রয়েছে এবং অতীতেও হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরান, ইসফাহান, তাবরিজসহ কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের দাবি, তারা বেসামরিক স্থাপনা নয়, শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
এই সংঘাত এমন এক সময় ঘটছে যখন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ ও পারমাণবিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইরান সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রাখলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক 






















