ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ৩৩ বছর বয়সী তরুণী টুইশা শর্মার রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মৃত্যুর আগে তার বান্ধবীদের সঙ্গে হওয়া একাধিক চ্যাট ও বার্তা প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে তিনি মানসিক যন্ত্রণা ও একাকীত্বের কথা জানিয়েছিলেন।
প্রকাশিত কথোপকথনে দেখা যায়, তিনি বিয়ের পর জীবনে হতাশা, চাপ ও নিজের মতো করে বাঁচার সুযোগ না পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। এক চ্যাটে তিনি লেখেন, বিয়ে পরিবার দিলেও নিজের কাজ ও স্বাধীনতা হারানো উচিত নয়।
আরেকটি বার্তায় তিনি ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকে সতর্ক করে বলেন, বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাড়াহুড়া না করার পরামর্শ দেন এবং জীবনের সিদ্ধান্ত ভেবেচিন্তে নেওয়ার আহ্বান জানান।
সবচেয়ে আলোচিত একটি ইনস্টাগ্রাম বার্তায় তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করে লেখেন, তিনি ফেঁসে গেছেন এবং পরে বিস্তারিত কথা বলবেন বলে জানান। এই বার্তাগুলো প্রকাশের পর ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ, তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
গত ১২ মে ভোপালের কাটারা হিলস এলাকার বাসা থেকে টুইশার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি আগে করপোরেট চাকরিতে যুক্ত ছিলেন এবং উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী ছিলেন বলে জানা গেছে।
পরিবারের অভিযোগ, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; বরং যৌতুক নির্যাতন ও শারীরিক নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তারা দাবি করেছেন, মরদেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
এ ঘটনায় তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে এবং পরিবার পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 






















