বাংলাদেশ ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

যিনি নিজের বাবার রেখে যাওয়া অর্থ-সম্পদ অকাতরে দেশের জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দিচ্ছেন, যিনি কোনো এমপি-মন্ত্রী না হয়েও দিন-রাত জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান, সেই পরিচ্ছন্ন ও মানবিক ব্যক্তিত্ব পিরোজপুর জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের নোংরা ট্রল ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে পিরোজপুরের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ।

স্থানীয়দের মতে, এটি কেবল একটি সস্তা ট্রল নয়, বরং একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সজ্জন ব্যক্তিত্বকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার নিকৃষ্ট মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। তবে পিরোজপুরের সচেতন সাধারণ মানুষ এই নোংরা রাজনীতির খেলা ধরে ফেলেছে।

মানবিকতার অনন্য এক নাম

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নন। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক। পিরোজপুরের যেকোনো প্রান্তে বাস দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা কোনো অসহায় মানুষের চিকিৎসার সংকট দেখা দিলে খবর পাওয়া মাত্রই গভীর রাতেও হাসপাতালে ছুটে যান তিনি। সরকারি তহবিল কিংবা নিজের ব্যক্তিগত অর্থ থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে অসহায় রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। যার কেউ নেই, তার পাশে এসে দাঁড়ান এই মানবিক নেতা।

তিনি শুধু আজকের জনগণের নেতা নন; নিজের যৌবনের সোনালি সময় থেকে শুরু করে বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার, অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার ছিলেন। প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়েও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তিনি কখনো পিছু হটেননি।

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন পিরোজপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তিনি পিরোজপুরের বিশিষ্ট দানবীর আলহাজ আবদুস সোবহান সাহেবের সুযোগ্য পুত্র। তাঁর পিতা যেভাবে নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে এলাকার হাজার হাজার গরিব ও অসহায় মানুষের ভরণপোষণ, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে গেছেন, ঠিক বাবার সেই মহান আদর্শ বুকে ধারণ করেই আলো ছড়াচ্ছেন অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। পিরোজপুরের মানুষ মনে করে, এমন একজন দানবীরের সন্তানকে নিয়ে কোনো নোংরা রাজনীতি এ জেলার মাটি ও মানুষ কখনো মেনে নেবে না।

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে এই সস্তা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিবুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এম এ মাসুদ হাওলাদার বলেন,

জনগণের সেবায় যিনি সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিয়োজিত থাকেন, তাঁকে নিয়ে ট্রল করা চরম ধৃষ্টতা। অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন আমাদের পিরোজপুরের ভালোবাসার নাম। এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।

শুধু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দই নন, সাধারণ জনগণও এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পিরোজপুরবাসী মনে করে, অপপ্রচার চালিয়ে এই জননন্দিত নেতার সততা, কর্মদক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসাকে বিন্দুমাত্র ম্লান করা যাবে না। জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তাঁর মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পিরোজপুরকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।

kalprakash.com/SAS

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী
জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণের সময় চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ১০:৫৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

যিনি নিজের বাবার রেখে যাওয়া অর্থ-সম্পদ অকাতরে দেশের জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দিচ্ছেন, যিনি কোনো এমপি-মন্ত্রী না হয়েও দিন-রাত জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান, সেই পরিচ্ছন্ন ও মানবিক ব্যক্তিত্ব পিরোজপুর জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের নোংরা ট্রল ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে পিরোজপুরের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ।

স্থানীয়দের মতে, এটি কেবল একটি সস্তা ট্রল নয়, বরং একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সজ্জন ব্যক্তিত্বকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার নিকৃষ্ট মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। তবে পিরোজপুরের সচেতন সাধারণ মানুষ এই নোংরা রাজনীতির খেলা ধরে ফেলেছে।

মানবিকতার অনন্য এক নাম

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নন। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক। পিরোজপুরের যেকোনো প্রান্তে বাস দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা কোনো অসহায় মানুষের চিকিৎসার সংকট দেখা দিলে খবর পাওয়া মাত্রই গভীর রাতেও হাসপাতালে ছুটে যান তিনি। সরকারি তহবিল কিংবা নিজের ব্যক্তিগত অর্থ থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে অসহায় রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। যার কেউ নেই, তার পাশে এসে দাঁড়ান এই মানবিক নেতা।

তিনি শুধু আজকের জনগণের নেতা নন; নিজের যৌবনের সোনালি সময় থেকে শুরু করে বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার, অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার ছিলেন। প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়েও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তিনি কখনো পিছু হটেননি।

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন পিরোজপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তিনি পিরোজপুরের বিশিষ্ট দানবীর আলহাজ আবদুস সোবহান সাহেবের সুযোগ্য পুত্র। তাঁর পিতা যেভাবে নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে এলাকার হাজার হাজার গরিব ও অসহায় মানুষের ভরণপোষণ, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে গেছেন, ঠিক বাবার সেই মহান আদর্শ বুকে ধারণ করেই আলো ছড়াচ্ছেন অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। পিরোজপুরের মানুষ মনে করে, এমন একজন দানবীরের সন্তানকে নিয়ে কোনো নোংরা রাজনীতি এ জেলার মাটি ও মানুষ কখনো মেনে নেবে না।

অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে এই সস্তা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিবুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এম এ মাসুদ হাওলাদার বলেন,

জনগণের সেবায় যিনি সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিয়োজিত থাকেন, তাঁকে নিয়ে ট্রল করা চরম ধৃষ্টতা। অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন আমাদের পিরোজপুরের ভালোবাসার নাম। এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।

শুধু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দই নন, সাধারণ জনগণও এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পিরোজপুরবাসী মনে করে, অপপ্রচার চালিয়ে এই জননন্দিত নেতার সততা, কর্মদক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসাকে বিন্দুমাত্র ম্লান করা যাবে না। জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তাঁর মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পিরোজপুরকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।

kalprakash.com/SAS

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী