যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির ফলে দেশের বাণিজ্যিক স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক শামসুল আলম। তিনি বর্তমানে বেসরকারি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন এবং কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা।
সম্প্রতি দ্য পোস্ট-এর ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে আমাদের বাণিজ্য দখল হয়ে গেছে। যেটা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি করেছিল, তারা তখন সরাসরি এসে দখল করেছিল। এখন আর শারীরিকভাবে আসতে হচ্ছে না, আমরা নিজেরাই তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি।
দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে সরাসরি তেল আনার সুযোগ থাকলেও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির কারণে অনেক ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হয়েছে। তার ভাষায়, মোটা দাগে বলা যায় এই চুক্তির প্রভাব রয়েছে। এই চুক্তি না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপের কারণে রাশিয়া ও ইরানের মতো দেশ থেকে সরাসরি বাণিজ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে।
অধ্যাপক শামসুল আলম দাবি করেন, চুক্তির একটি মূল দিক হলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে অধিকাংশ পণ্য আমদানি করার প্রবণতা তৈরি হওয়া, যার ফলে অন্য দেশ থেকে আমদানির সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে। তার মতে, জ্বালানি খাতও এর বাইরে নয়।
বাণিজ্য ডেস্ক 

























