বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এই জাদুঘর যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাদুঘর পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলের কথিত নিপীড়ন, নৈরাজ্য ও হত্যাকাণ্ডের বিবরণ জাদুঘরে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি দাবি করেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মিথ্যা সমবেদনা জানিয়ে ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় তৈরি হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তির প্রতীক। তিনি বলেন, এই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
পরিদর্শনকালে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে ছিল ১৯৭১ থেকে ১৯৯১ সালের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ, কোটা ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচিত্র, এবং বিভিন্ন আন্দোলনের নথি।
এছাড়া পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর ঘটনা, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও আবরার ফাহাদের স্মৃতির জন্য সংরক্ষিত কর্নারও তারা পরিদর্শন করেন।
শহীদদের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সামগ্রী ও রক্তাক্ত স্মারক দেখার সময় তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বলেও জানানো হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রী জানিয়েছেন, জুলাই জাদুঘর চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক 

























