ভবিষ্যতে ফ্লাইট বুকিং বা আর্থিক সেবাও যুক্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। যদিও এখনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়নি।
উবারের এই উদ্যোগকে নতুন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলছে অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও। আবাসনভিত্তিক সেবা এয়ারবিএনবি সম্প্রতি বিমানবন্দর পরিবহন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা জানিয়েছে। অন্যদিকে এক্স প্ল্যাটফর্মকে ‘এভরিথিং অ্যাপ’ বানানোর পরিকল্পনার কথা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন ইলন মাস্ক। তার প্রতিষ্ঠান এখন ‘এক্স মানি’ নামে ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে একাধিক সুপার অ্যাপ টিকে থাকতে পারবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। কারণ দেশটিতে আগে থেকেই আলাদা আলাদা সেবার জন্য জনপ্রিয় অনেক অ্যাপ রয়েছে।
তবে উবারের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের বিদ্যমান ব্যবহারকারীভিত্তি। কোম্পানিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি মানুষ উবার ওয়ান সদস্যপদ ব্যবহার করছেন।
প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক আর্থিক প্রতিবেদন বলছে, উবার ইটস বিভাগ সবচেয়ে দ্রুত বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ডেলিভারি খাত থেকে তাদের আয় আগের বছরের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেড়ে ৫০৭ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক 

























