চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানি দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)–এর তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে আমদানি দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ১০৪ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের একই সময়ের ৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ১০১ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে তুলনামূলক কম—মাত্র ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। মোট রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬২ কোটি টাকায়।
প্রধান আমদানি পণ্য
এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির বড় অংশ এসেছে জ্বালানি ও শিল্প খাতের পণ্যে। এর মধ্যে রয়েছে— এলএনজি ও এলপিজি, গম ও সয়াবিন, তুলা ও লোহা-ইস্পাত স্ক্র্যাপ, উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন
সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে এলএনজি, যার বড় অংশ কিনেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা। এছাড়া গম আমদানি করেছে খাদ্য অধিদপ্তর এবং উড়োজাহাজ সংক্রান্ত খাতে বড় ক্রয় করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রভাব বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি (এআরটি) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির দিকে ঝুঁকছে।
চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের হাজারো পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যার বিনিময়ে কিছু মার্কিন পণ্যে শুল্ক সুবিধা মিলেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রেই তা প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও শিল্প কাঁচামালের চাহিদা পূরণ করছে।
পলিসি বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি আরও বাড়তে পারে, বিশেষ করে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে।
kalprakash.com/SS
বাণিজ্য ডেস্ক 

























