জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভর্টেক্সা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের পরও এক সপ্তাহে নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ও ইরান-সংশ্লিষ্ট মোট ৩৪টি তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি ও উপসাগর এলাকায় চলাচল করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ১৩ এপ্রিল থেকে সোমবার পর্যন্ত সময়ে ১৯টি জাহাজ উপসাগর ছেড়েছে এবং ১৫টি জাহাজ প্রবেশ করেছে। এ তথ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-এর বরাতে জানানো হয়েছে।
এপিকে পাঠানো ইমেইলে ভর্টেক্সা জানিয়েছে, বহির্গামী জাহাজগুলোর মধ্যে ছয়টি ইরানি অপরিশোধিত তেল বহন করছিল, যার পরিমাণ প্রায় ১০.৭ মিলিয়ন ব্যারেল।
তবে এসব তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে ইরান একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে হরমুজ প্রণালিতে একটি কন্টেইনার জাহাজ আটক করার দাবি করা হয়েছে। ভিডিওটিতে সশস্ত্র ও মুখোশধারী ইরানি সেনাদের একটি পণ্যবাহী জাহাজে উঠতে দেখা যায়।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা বুধবার প্রণালিতে দুটি জাহাজ আটক করেছে এবং সেগুলো ইরানের উপকূলের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পেন্টাগন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-কে এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির গোপন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন।
এপি জানায়, ওই ব্রিফিং আইনপ্রণেতাদের মধ্যে “উত্তরের চেয়ে বেশি প্রশ্ন” রেখে গেছে। তারা যুদ্ধের ব্যয়, কৌশল এবং উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেও স্পষ্ট উত্তর পাননি। পাশাপাশি যুদ্ধ শুরুর সময় ইরানের একটি স্কুলে হামলার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে, যেখানে প্রায় ১৬৫ জন নিহত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























