বাংলাদেশ ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতায় লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ২৭ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএম-এর সমন্বিত উদ্যোগে তাদের চিকিৎসা ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

প্রত্যাবাসনের আগে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ দূতাবাস প্রাঙ্গণে অভিবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের বিদায় জানান। এ সময় তিনি বলেন, লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইওএম-এর সঙ্গে দূতাবাস সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। পাচারের শিকার ও বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সুরক্ষা এবং দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়।

রাষ্ট্রদূত দেশে ফিরে সরকারি ও বেসরকারি পুনর্বাসন প্রকল্পের সহায়তায় নতুনভাবে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দালালচক্রের প্রতারণার শিকার প্রবাসীদের সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও পরামর্শ দেন।

তিনি আরও বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও দুর্ভোগ সম্পর্কে নিজ নিজ এলাকায় সচেতনতা তৈরি করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন প্রতারণার শিকার না হন।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত আইওএম-এর সহযোগিতায় চারটি চার্টার্ড ফ্লাইটে মোট ৬৮৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

kalprakash.com/SS

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি
জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

প্রকাশিত: ১১:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতায় লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ২৭ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএম-এর সমন্বিত উদ্যোগে তাদের চিকিৎসা ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

প্রত্যাবাসনের আগে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ দূতাবাস প্রাঙ্গণে অভিবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের বিদায় জানান। এ সময় তিনি বলেন, লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইওএম-এর সঙ্গে দূতাবাস সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। পাচারের শিকার ও বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সুরক্ষা এবং দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়।

রাষ্ট্রদূত দেশে ফিরে সরকারি ও বেসরকারি পুনর্বাসন প্রকল্পের সহায়তায় নতুনভাবে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দালালচক্রের প্রতারণার শিকার প্রবাসীদের সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও পরামর্শ দেন।

তিনি আরও বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও দুর্ভোগ সম্পর্কে নিজ নিজ এলাকায় সচেতনতা তৈরি করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন প্রতারণার শিকার না হন।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত আইওএম-এর সহযোগিতায় চারটি চার্টার্ড ফ্লাইটে মোট ৬৮৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

kalprakash.com/SS

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি