মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে নতুন পরিবর্তন এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আগে নির্দিষ্ট সময়সীমার কথা বলা হলেও এবার কোনো শেষ তারিখ উল্লেখ করা হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা টিমের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, রুদ্ধদ্বার ওই বৈঠকের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সাময়িকভাবে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হয়েছে।
মূলত ইরানের কাছ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট জবাব না পাওয়ায় কূটনৈতিক অগ্রগতি থমকে আছে। যুক্তরাষ্ট্র কিছু শর্ত দিলেও তেহরান থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া না আসায় উত্তেজনা বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা এড়াতেই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তার মতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব পর্যায়ের বিভক্তি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং কোনো চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু উপদেষ্টা মনে করছেন নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়া যুদ্ধবিরতি বাড়ালে ইরান সময়ক্ষেপণের সুযোগ পেতে পারে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ রাখা এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে বলা যায়, যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত কোনো একক কারণ নয়; বরং কূটনৈতিক অচলাবস্থা, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং বড় যুদ্ধ এড়ানোর কৌশলগত চিন্তার সমন্বিত ফলাফল।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























