মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) স্থানীয় সময় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কার্ল বলেন, ট্রাম্প মনে করেন যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, “আমার মনে হয়, আগামী দুই দিনে আপনারা গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেখতে যাচ্ছেন।”
কার্লের তথ্যমতে, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান-সংঘাতের সমাধান দুইভাবে হতে পারে—আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা, অথবা সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা। তবে তিনি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, “সমঝোতায় পৌঁছানোই ভালো। এতে তাদের পুনর্গঠনের সুযোগ থাকবে। এখন সেখানে ভিন্ন ধরনের শাসনব্যবস্থা রয়েছে। আমরা উগ্রপন্থীদের সরিয়ে দিয়েছি।”
এদিকে, বিশ্ব রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা নিয়েও বড় ধরনের দাবি করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি প্রেসিডেন্ট না থাকলে পৃথিবী আজ ভেঙে পড়ত।”
এর আগে, নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, আগামী দুই দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, “খুব শিগগিরই কিছু একটা ঘটতে পারে। আমরা পাকিস্তানে যাওয়ার বিষয়েও আগ্রহী।”
গত শনিবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এদিকে, মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও ইসলামাবাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠক নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইরান।