ইরানে একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান কাঁধ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, এ ঘটনায় দুই পাইলটকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রকে নাটকীয় সামরিক অভিযান চালাতে হয়েছে।
ট্রাম্পের দাবি, ছয় সপ্তাহের সামরিক অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির নৌ ও বিমানবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, লঞ্চার ও ড্রোন কারখানায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে এবং ১৫০টির বেশি ইরানি জাহাজ ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ যুদ্ধের’ ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তার মতে, ছোট ছোট গোষ্ঠী বা ব্যক্তিও মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতে বড় বাহিনী নয়, একজন ব্যক্তিই যথেষ্ট হতে পারে।
দুই পাইলটের উদ্ধারের ঘটনাকে ট্রাম্প অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, একজন পাইলট আহত অবস্থায় পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন এবং নিজেই নিজের চিকিৎসা করে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে সিআইএ তার অবস্থান শনাক্ত করে।
প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর তার পাঠানো সংকেতের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ২০টিরও বেশি সামরিক বিমান পাঠিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। একই সময় ইরানও তাকে খুঁজতে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করেছিল বলে দাবি করা হয়।
এই ঘটনাকে চলমান সংঘাতের জটিলতা এবং ইরান থেকে অব্যাহত ঝুঁকির একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























