বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হলেও চট্টগ্রাম বন্দর ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রথম ৯ মাসে আমদানি-রফতানির গতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই সময়ে ৩ হাজারের বেশি জাহাজে আসা ২৫ লাখ কন্টেইনার ও ১০ কোটি ৪২ লাখ মেট্রিক টন কার্গো পণ্য হ্যান্ডলিং করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এককভাবে ৫৮ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ জানান, বন্দরে জিরো ওয়েটিং টাইম মেনটেইন করা হচ্ছে এবং অটোমেশন ব্যবহারের ফলে আমদানি-রফতানিতে কোনো প্রভাব পড়েনি। মার্চ মাসে সামান্য কমে গেলেও উচ্চ শুল্কহারের জ্বালানি তেল, ক্যাপিটাল মেশিনারিজ এবং খাদ্যপণ্য আমদানি থেকে রাজস্ব ধারাবাহিকভাবে অর্জন করা গেছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন বলেন, “বৈশ্বিক সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বছরের বাকি সময়ে রাজস্ব আয় আরও বৃদ্ধি পাবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।”
অন্যদিকে, ২১টি বেসরকারি অফডকেও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের নয় মাসে রফতানিতে ৩.৭ শতাংশ এবং আমদানি পণ্যে ৩৫.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে যুদ্ধের ঝুঁকি এবং বিদেশি শিপিং প্রতিষ্ঠানের ভাড়ার কারণে এপ্রিল মাসে আমদানি-রফতানি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
kalprakash.com/SS
বাণিজ্য ডেস্ক 

























