যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলায় ইরানের বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হওয়াকে ‘যুদ্ধাপরাধের শামিল’ বলে সতর্ক করেছেন শতাধিক মার্কিন বিশেষজ্ঞ। খোলাচিঠিতে তারা উল্লেখ করেছেন, বেসামরিক নাগরিক, হাসপাতাল, বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের লঙ্ঘন।
চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু করার সময় জাতিসংঘের অনুমোদন ছিল না এবং ইরান থেকে কোনো আক্রমণ হয়নি। বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হুমকিমূলক বক্তব্য, যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি এবং বেসামরিক সুরক্ষা নীতির লঙ্ঘনের বিষয় নিয়ে।
আইন বিশেষজ্ঞরা ইরানের মিনাব শহরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম দিনে হামলার উদাহরণ তুলে ধরেছেন, যেখানে অন্তত ১৭৫ জন প্রাণ হারান, বেশিরভাগ শিশু। একইসঙ্গে ইরানের হাসপাতাল, জ্বালানি অবকাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাস্তুর ইনস্টিটিউটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাবেক প্রধান কেনেথ রথ, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক আইন উপদেষ্টা হ্যারল্ড হংজু কোহ, ইয়েল ল স্কুলের আন্তর্জাতিক আইন অধ্যাপক ওনা এ হ্যাথাওয়ে এবং নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিলিপ অ্যালস্টোন।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্যমতে, এক মাসের বেশি সময় ধরে চলমান হামলায় এক লাখ ১৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, নিহত হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ, আহত হয়েছেন ২৬ হাজারের বেশি, এবং অসংখ্য মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করেছেন।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























