ক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ ও কৌশলকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতিকে সরাসরি ‘আবর্জনা’ বলে অভিহিত করেছেন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সফল হয়েছে এবং তিনি দেশটিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘হার মেনে নিতে’ আহ্বান জানান। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, গত বছরের মার্চ থেকে এই অর্থনৈতিক চাপের অভিযান শুরু হয় এবং পরে তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র এখন বিদেশি দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাপ দিচ্ছে। বেসেন্ট বলেন, ইরানের তেল ক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে ব্যাংক ও শিল্পখাতে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, এই অর্থনৈতিক অভিযান ও চাপ ইরানের অর্থনীতিতে স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। তবে ইরান এই অবস্থানকে উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, এটি উল্টো বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়াবে।
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত সংযম দেখিয়েছে কেবল কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। তবে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির আশপাশে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে এই উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে তেলের দামে, যা ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রেও পেট্রোলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























