সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৫ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | সকাল ৬:৫৮:৪৩
শিরোনাম
● পাবনায় ৩৮১ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, জরিমানা ৮০ হাজার ● রাবিতে সাপে কাটা শিক্ষার্থী আইসিইউতে, প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি ● হরমুজ সংকটে কাস্পিয়ান সাগরই এখন ইরানের ভরসা ● কর্ণফুলী ইপিজেডে ২০ বছরে বিনিয়োগ বেড়েছে ৪১২ গুণ ● দিল্লির ছায়া থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রনীতি ● মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই মন ভালো হবে যেভাবে ● ডিম কেনার আগে যা জানা জরুরি ● হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন ডুবো ড্রোন আটকের দাবি ইরানের ● যাদের কলা খাওয়া উচিত নয় ● ব্রিটেনে মার্কিন ঘাঁটির এলাকা খালি করল কতৃপক্ষ, আটক কয়েকজন ● পাবনায় ৩৮১ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, জরিমানা ৮০ হাজার ● রাবিতে সাপে কাটা শিক্ষার্থী আইসিইউতে, প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি ● হরমুজ সংকটে কাস্পিয়ান সাগরই এখন ইরানের ভরসা ● কর্ণফুলী ইপিজেডে ২০ বছরে বিনিয়োগ বেড়েছে ৪১২ গুণ ● দিল্লির ছায়া থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রনীতি ● মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই মন ভালো হবে যেভাবে ● ডিম কেনার আগে যা জানা জরুরি ● হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন ডুবো ড্রোন আটকের দাবি ইরানের ● যাদের কলা খাওয়া উচিত নয় ● ব্রিটেনে মার্কিন ঘাঁটির এলাকা খালি করল কতৃপক্ষ, আটক কয়েকজন

যাদের কলা খাওয়া উচিত নয়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭
শেয়ার: mail
যাদের কলা খাওয়া উচিত নয়

অনলাইন ডেস্ক। ছবি: সংগৃহীত

সকালের নাশতা কিংবা বিকেলের হালকা খাবার—কলা সহজলভ্য ও পুষ্টিকর একটি ফল। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, খাদ্যআঁশ ও ভিটামিন বি৬-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। তাই সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পরিমিত পরিমাণে কলা খাওয়া সাধারণত নিরাপদ।

তবে সবার জন্য কলা সমানভাবে উপকারী নয়। বিশেষ করে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া ব্যক্তিদের কলা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ কলায় পটাশিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

কিডনি শরীরের অতিরিক্ত পটাশিয়াম বের করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তাই কিডনি রোগীদের নিয়মিত কলা খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডায়াবেটিস থাকলে কি কলা খাওয়া যাবে?
কলা খেলে রক্তে শর্করা বাড়তে পারে, কারণ এতে প্রাকৃতিক শর্করা রয়েছে। তবে কলায় খাদ্যআঁশও থাকে, যা শর্করা শোষণের গতি ধীর করতে সহায়তা করতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কলার পরিমাণ ও পাকার মাত্রা গুরুত্বপূর্ণ। তাই একসঙ্গে বেশি কলা না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং ব্যক্তিগত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী পরামর্শ নেওয়া ভালো। কলার সঙ্গে এক মুঠো বাদাম বা দইয়ের মতো প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার রাখলে নাশতাটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে।

বেশি কলা খেলেও হতে পারে সমস্যা
কলা স্বাস্থ্যকর হলেও অতিরিক্ত খাওয়ার প্রয়োজন নেই। বেশি কলা খেলে কারও কারও পেট ফাঁপা, অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হতে পারে। অন্যদিকে সুস্থ মানুষের জন্য পরিমিত পরিমাণে কলা খাওয়া খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। এতে থাকা খাদ্যআঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে।

হৃদ্‌যন্ত্রের জন্যও উপকারী
কলায় থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ ও হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে সুষম খাদ্যতালিকায় কলা একটি উপকারী ফল হতে পারে। তবে শরীরের প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টি পেতে শুধু কলার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি, প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

যাদের কলা খাওয়া উচিত নয়

বিস্তারিত কমেন্টে