মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়ে গেছে। এর প্রভাবে তেলের দাম লাফ দিয়ে উঠেছে, শেয়ারবাজারও চাপে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৯.৭৪ ডলারে পৌঁছে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)–এর দাম ১১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১১.৬০ ডলারে ওঠে, যা ৯ মার্চের পর সর্বোচ্চ। তবে পরে ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রটোকল তৈরির খবর প্রকাশ পেলে ব্রেন্টের দাম কিছুটা কমে ১০৬.৪০ ডলারে স্থিত হয়।
এশিয়ার শেয়ারবাজারে নিক্কেই ২.৪%, CSI 300 ১.৩৬% ও কসপি ৪.৮% পর্যন্ত কমে যায়। ইউরোপেও ড্যাক্স ১%, CAC 40 ও FTSE MIB ০.২% কমে, তবে FTSE 100 ০.৭% বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রে ডাও জোন্স সামান্য ০.১% কমলেও S&P 500 ও Nasdaq সূচকে সামান্য উত্থান দেখা যায়।
জ্বালানি দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি ঋণের সুদের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে; যুক্তরাজ্যের ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদ ৪.৮৮৬% এ পৌঁছেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করেছে যে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলের সরবরাহ দীর্ঘদিনে ব্যাহত হতে পারে। এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতার ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





















