বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ | ২১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৪ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | সকাল ৮:২০:১৯
শিরোনাম
● দাম্পত্য জীবন সুন্দর করতে ● ষড়যন্ত্র নিজের দিকেই ফিরে আসে ● উরুগুয়ের গোলবন্যায় ভেসে গেল ভারত ● সিইসির পদত্যাগের দাবিতে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক ● জাল টাকার বান্ডিলে সোনার চেইন নিয়ে চম্পট ● স্কুল থেকে ফিরে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর ● শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন বান্দরবানে ● এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, চুক্তি বুধবার ● বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া ● টিকটক ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ফিচারে আসছে চমক ● দাম্পত্য জীবন সুন্দর করতে ● ষড়যন্ত্র নিজের দিকেই ফিরে আসে ● উরুগুয়ের গোলবন্যায় ভেসে গেল ভারত ● সিইসির পদত্যাগের দাবিতে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক ● জাল টাকার বান্ডিলে সোনার চেইন নিয়ে চম্পট ● স্কুল থেকে ফিরে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর ● শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন বান্দরবানে ● এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, চুক্তি বুধবার ● বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া ● টিকটক ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ফিচারে আসছে চমক

১৫ বছরেও মায়ের নাম উচ্চারণ করেননি কিম জং উন, কারণ কী?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১:৫৯
শেয়ার: mail
১৫ বছরেও মায়ের নাম উচ্চারণ করেননি কিম জং উন, কারণ কী?

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে ঘিরে নানা রহস্যের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি তার মা কো ইয়ং হুইয়ের পরিচয়। ক্ষমতায় আসার প্রায় ১৫ বছর পার হলেও জনসমক্ষে একবারও নিজের মায়ের নাম উল্লেখ করেননি কিম। বিশ্লেষকদের মতে, এর পেছনে রয়েছে দেশটির বংশানুক্রমিক শাসনব্যবস্থা ও ‘বিশুদ্ধ রক্তধারা’ সংক্রান্ত রাজনৈতিক প্রচারণা।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় আদর্শে শাসক পরিবারের ‘মাউন্ট প্যাকতু’ রক্তধারাকে পবিত্র ও বিশুদ্ধ হিসেবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু কিম জং উনের মা কো ইয়ং হুই ১৯৫২ সালে জাপানের ওসাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা-মা ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের বাসিন্দা এবং জাপানে বসবাসকারী কোরীয় সম্প্রদায়ের সদস্য।

পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় পরিবারটি পরে উত্তর কোরিয়ায় ফিরে এলেও বিদেশফেরত হওয়ায় তারা দেশটির সামাজিক শ্রেণিবিন্যাসে ‘জ্যায়েপো’ হিসেবে তুলনামূলক নিম্ন মর্যাদায় বিবেচিত হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পারিবারিক পটভূমি উত্তর কোরিয়ার প্রচলিত ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ করার সময় তৎকালীন নেতা কিম জং ইলের সঙ্গে কো ইয়ং হুইয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের তিন সন্তানের একজন ছিলেন কিম জং উন। তবে এই সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক বৈবাহিক সম্পর্ক না হওয়ায় দীর্ঘদিন কো ইয়ং হুই ও তার সন্তানদের জনসমক্ষে আনা হয়নি। কিম ইল সুং জীবিত থাকাকালে তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও দেওয়া হয়নি।

২০০৪ সালে ক্যান্সারে কো ইয়ং হুইয়ের মৃত্যুর পর উত্তর কোরিয়ার উত্তরাধিকার রাজনীতিতে পরিবর্তন আসে। কিম জং ইলের অন্য সম্ভাব্য উত্তরসূরিরা বিভিন্ন কারণে বাদ পড়লে ২০১১ সালে বাবার মৃত্যুর পর দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন কিম জং উন।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নিজের মায়ের জন্মপরিচয় ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে বিতর্ক এড়াতেই কিম জং উন বিষয়টি সবসময় আড়ালে রাখেন। এমনকি তার জন্মদিনও উত্তর কোরিয়ায় জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয় না। বিশ্লেষকদের মতে, কো ইয়ং হুইয়ের পটভূমি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে দেশটির বংশানুক্রমিক নেতৃত্বের আদর্শিক ভিত্তি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ২৮ জুন ২০২৬ | Globe kalprakash.com

১৫ বছরেও মায়ের নাম উচ্চারণ করেননি কিম জং উন, কারণ কী?

বিস্তারিত কমেন্টে