বাংলাদেশ ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সব প্রশাসনিক পদের কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্টের আওতায় আনার দাবি বেরোবি কর্মকর্তাদের

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধানসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সব শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্টভিত্তিক উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় আনার দাবি তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে কর্মকর্তাদের এক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবাইকে একই নিয়মের আওতায় আনা উচিত। এছাড়া কর্মকর্তাদের পদোন্নতিসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও সভায় আলোচনায় উঠে আসে।

সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, “প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবাইকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ফিঙ্গারপ্রিন্টে উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানও ফিঙ্গারপ্রিন্টে উপস্থিতি দেন। তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ক্ষেত্রে বৈষম্য কেন থাকবে?”

তবে সভায় নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান নিজেই বর্তমানে ফিঙ্গারপ্রিন্টভিত্তিক উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় নেই বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩২ জন কর্মকর্তা ও ৪৮১ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিত করলেও ড. মো. রোকনুজ্জামান এ ব্যবস্থার আওতায় নেই।

এ বিষয়ে জানতে ড. মো. রোকনুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদুর রহমান বলেন, “আমরা মৌখিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী সব প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি। আমরা কখনো বলিনি যে কর্মকর্তারা ফিঙ্গারপ্রিন্টে উপস্থিতি দেবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবাইকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের বাইরে কোনো দাবি করিনি।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “তাহলে কর্মকর্তা ও শিক্ষক সবাই ভাই-ভাই। এখন থেকে কর্মকর্তারাও ক্লাস নেবেন, পরীক্ষা নেবেন এবং খাতা মূল্যায়ন করবেন।”

রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সব প্রশাসনিক পদের কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্টের আওতায় আনার দাবি বেরোবি কর্মকর্তাদের
জনপ্রিয় সংবাদ

সব প্রশাসনিক পদের কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্টের আওতায় আনার দাবি বেরোবি কর্মকর্তাদের

প্রকাশিত: ০১:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধানসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সব শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্টভিত্তিক উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় আনার দাবি তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে কর্মকর্তাদের এক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবাইকে একই নিয়মের আওতায় আনা উচিত। এছাড়া কর্মকর্তাদের পদোন্নতিসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও সভায় আলোচনায় উঠে আসে।

সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, “প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবাইকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ফিঙ্গারপ্রিন্টে উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানও ফিঙ্গারপ্রিন্টে উপস্থিতি দেন। তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ক্ষেত্রে বৈষম্য কেন থাকবে?”

তবে সভায় নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান নিজেই বর্তমানে ফিঙ্গারপ্রিন্টভিত্তিক উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় নেই বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩২ জন কর্মকর্তা ও ৪৮১ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিত করলেও ড. মো. রোকনুজ্জামান এ ব্যবস্থার আওতায় নেই।

এ বিষয়ে জানতে ড. মো. রোকনুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদুর রহমান বলেন, “আমরা মৌখিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী সব প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি। আমরা কখনো বলিনি যে কর্মকর্তারা ফিঙ্গারপ্রিন্টে উপস্থিতি দেবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবাইকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের বাইরে কোনো দাবি করিনি।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “তাহলে কর্মকর্তা ও শিক্ষক সবাই ভাই-ভাই। এখন থেকে কর্মকর্তারাও ক্লাস নেবেন, পরীক্ষা নেবেন এবং খাতা মূল্যায়ন করবেন।”

রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সব প্রশাসনিক পদের কর্মকর্তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্টের আওতায় আনার দাবি বেরোবি কর্মকর্তাদের