বাংলাদেশ ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সই হলো সমঝোতা স্মারক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সই হলো সমঝোতা স্মারক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি দপ্তরে এ চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। এ উদ্যোগের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

অন্যদিকে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট একে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে এই সমঝোতা স্মারককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ অনেক দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে জ্বালানির বিকল্প উৎস বাড়ানোর সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় শক্তি ও জৈবশক্তি খাতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণা সহযোগিতা বাড়বে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সই হলো সমঝোতা স্মারক
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সই হলো সমঝোতা স্মারক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সই হলো সমঝোতা স্মারক

প্রকাশিত: ০৯:৫৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি দপ্তরে এ চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। এ উদ্যোগের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

অন্যদিকে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট একে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে এই সমঝোতা স্মারককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ অনেক দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে জ্বালানির বিকল্প উৎস বাড়ানোর সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় শক্তি ও জৈবশক্তি খাতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণা সহযোগিতা বাড়বে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সই হলো সমঝোতা স্মারক