‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ ছয়টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত স্টলে প্রকল্পগুলো প্রদর্শন করা হচ্ছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী এ উদ্ভাবনী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
নোবিপ্রবির পক্ষ থেকে মেলায় প্রদর্শিত ছয়টি প্রকল্প হলো—‘মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ফসলের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের ওপর জলবায়ুর প্রভাব নিরূপণ এবং জলবায়ু সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন’, ‘AquaSmart: Integrated Precision Aquaculture for Clean, Productive and Energy-Efficient Fish Farming’, ‘AquaNutri: Turning Seaweed and Small Fish into Affordable Everyday Nutrition’, ‘Vision-Assist: An Intelligent Paper Currency Recognition System for Blind and Visually Impaired People in Bangladesh’, ‘Sustainable Approach: Catalytic Conversion of Greenhouse Gas to Chemical Energy’ এবং ‘NSTU Monsotej Natural Green Tea’।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গবেষক ও শিক্ষকদের নেতৃত্বে এসব উদ্ভাবনী উদ্যোগ মেলায় দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থাপনা, আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী মৎস্যচাষ প্রযুক্তি, সামুদ্রিক শৈবাল ও ছোট মাছ থেকে পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান তৈরি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহজে কাগুজে মুদ্রা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি, গ্রিনহাউস গ্যাসকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর এবং পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক গ্রিন টি-সংক্রান্ত উদ্ভাবন।
মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়ে আয়োজনের ফোকাল পয়েন্ট এবং নোবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্টলে মোট ছয়টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করেছে। এখানে আমরা অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দর্শনার্থী ও প্রতিনিধিরা আগ্রহ নিয়ে আমাদের স্টল পরিদর্শন করছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো তৈরিতে যুক্ত সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
তিন দিনব্যাপী এ মেলায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
kalprakash.com/IM