ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রশিবিরের কোনো শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি থাকলেই উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদের ঢাকায় জরুরি কাজ পড়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, অতীতেও দেখা গেছে ছাত্রশিবিরের শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অনুপস্থিত থাকেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, অতীতে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ আয়োজন করতে গিয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের শহীদ হওয়ার রক্তক্ষয়ী ইতিহাস রয়েছে। আর বর্তমানে দেখা যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আমাদের ইতিবাচক কার্যক্রমগুলোকে সহজভাবে নিচ্ছেন না। আমরা অনেক আগেই আয়োজনের সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিই। অথচ লক্ষ্য করা যায়, যে দিনটিতে আমাদের অনুষ্ঠান থাকে, ঠিক সে দিনেই তাদের ঢাকায় বিশেষ কাজ তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, অতীতে নবীনবরণকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবিরের ওপর বর্বর হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং সেই হামলায় সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। যারা আদর্শিকভাবে ছাত্রশিবিরকে মোকাবিলা করতে পারে না, তারাই সর্বদা কাপুরুষোচিত ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়। ছাত্রশিবিরকে মোকাবিলা করতে হলে রাজপথে বা আলোচনার টেবিলে আদর্শ দিয়েই করতে হবে, কোনো চক্রান্ত করে ছাত্রশিবিরের অগ্রযাত্রা স্তব্ধ করা যাবে না।
রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম (এমপি)।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমাজ উদ্দীন মণ্ডল, আজিজুর রহমান আজাদ, মাহমুদুল হাসান, ইমরান নাজির এবং রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
kalprakash.com/IM