বাংলাদেশ ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের মাটি অপসারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সেতুমন্ত্রী

পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের নিচ থেকে মাটি সরানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, সেতুর পিলারের ভিত্তি দুর্বল করার জন্য কোনো মাটি অপসারণ করা হয়নি; বরং নির্মাণকাজের সময় রাখা অতিরিক্ত মাটি নিরাপত্তার স্বার্থে সরানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, সেতু নির্মাণের সময় বিভিন্ন সহায়ক কাঠামো ও প্রতিবন্ধকতা তৈরির জন্য কিছু অতিরিক্ত মাটি রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই মাটি উঁচু হয়ে যাওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ বা চুরির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

সম্প্রতি ফতুল্লা এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের পাশ থেকে মাটি কাটার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সেতুর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং এতে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

তিনি আরও জানান, মাটি অপসারণের পর ওই স্থানে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

একই অনুষ্ঠানে রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড পুনর্বিন্যাস পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যানজট কমানো ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তর করা হবে।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে অনেক বাস ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করে, যা যানজট ও অব্যবস্থাপনার অন্যতম কারণ। ভবিষ্যতে বাসগুলো নির্ধারিত ডিপোতে রাখা হবে এবং যাত্রা শুরুর নির্দিষ্ট সময়ের আগে স্ট্যান্ডে আসবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাখালী বাস টার্মিনাল আপাতত বহাল থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এটিকে উত্তরা এলাকায় স্থানান্তর করা হবে। এ লক্ষ্যে ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩০০ ফিট এলাকায় অতিরিক্ত বাস রাখার জন্য একটি অস্থায়ী ডিপো স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এছাড়া সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যায়ক্রমে কাঁচপুর এলাকায় স্থানান্তর করা হবে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাসস্ট্যান্ডগুলো কেবল যাত্রী ওঠানামার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং বাস রাখার কাজ হবে নির্ধারিত ডিপোগুলোতে। এতে রাজধানীর যানজট কমবে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের মাটি অপসারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সেতুমন্ত্রী
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের মাটি অপসারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৭:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের নিচ থেকে মাটি সরানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, সেতুর পিলারের ভিত্তি দুর্বল করার জন্য কোনো মাটি অপসারণ করা হয়নি; বরং নির্মাণকাজের সময় রাখা অতিরিক্ত মাটি নিরাপত্তার স্বার্থে সরানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, সেতু নির্মাণের সময় বিভিন্ন সহায়ক কাঠামো ও প্রতিবন্ধকতা তৈরির জন্য কিছু অতিরিক্ত মাটি রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই মাটি উঁচু হয়ে যাওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ বা চুরির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

সম্প্রতি ফতুল্লা এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের পাশ থেকে মাটি কাটার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সেতুর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং এতে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

তিনি আরও জানান, মাটি অপসারণের পর ওই স্থানে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

একই অনুষ্ঠানে রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড পুনর্বিন্যাস পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যানজট কমানো ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তর করা হবে।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে অনেক বাস ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করে, যা যানজট ও অব্যবস্থাপনার অন্যতম কারণ। ভবিষ্যতে বাসগুলো নির্ধারিত ডিপোতে রাখা হবে এবং যাত্রা শুরুর নির্দিষ্ট সময়ের আগে স্ট্যান্ডে আসবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাখালী বাস টার্মিনাল আপাতত বহাল থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এটিকে উত্তরা এলাকায় স্থানান্তর করা হবে। এ লক্ষ্যে ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩০০ ফিট এলাকায় অতিরিক্ত বাস রাখার জন্য একটি অস্থায়ী ডিপো স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এছাড়া সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যায়ক্রমে কাঁচপুর এলাকায় স্থানান্তর করা হবে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাসস্ট্যান্ডগুলো কেবল যাত্রী ওঠানামার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং বাস রাখার কাজ হবে নির্ধারিত ডিপোগুলোতে। এতে রাজধানীর যানজট কমবে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের মাটি অপসারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সেতুমন্ত্রী