মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি তার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। পরীক্ষার পর তিনি জানিয়েছেন, তার শরীরের সবকিছুই “একেবারে ঠিকঠাক” রয়েছে। গত এক বছর ধরে তার কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা চললেও এবার নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার মেরিল্যান্ডের Walter Reed National Military Medical Center–এ তার শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যদিও পরীক্ষার বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
ট্রাম্প বরাবরই নিজেকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট Joe Biden–এর তুলনায় বেশি কর্মক্ষম ও ফিট বলে দাবি করে আসছেন। তবে সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে।
কিছুদিন আগে ট্রাম্পের ঘাড়ে লালচে দাগ ও ফুসকুড়ি দেখা যায়। এর আগেও ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তার গোড়ালি ফোলা এবং হাতে কালশিটে দাগের ছবি প্রকাশ্যে আসে। সে সময় মেকআপ দিয়ে হাতের দাগ ঢাকার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও আলোচনা হয়।
হোয়াইট হাউসের চিকিৎসক শন বারবাবেলা জানিয়েছেন, ঘাড়ের দাগের জন্য ট্রাম্প একটি সাধারণ ক্রিম ব্যবহার করছেন এবং এটি গুরুতর কিছু নয়। তিনি বলেন, ট্রাম্পের মধ্যে ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস বা ধমনিজনিত জটিল রোগের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি।
এদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট জানান, ট্রাম্পের পায়ের ফোলাভাব ছিল সাধারণ শিরাজনিত সমস্যা। আর অসংখ্য মানুষের সঙ্গে হাত মেলানোর কারণেই হাতে কালশিটে দাগ পড়েছিল।
গত অক্টোবরে ট্রাম্প একটি এমআরআই পরীক্ষাও করান। সেই পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে চিকিৎসক বারবাবেলা দাবি করেন, ট্রাম্পের হৃদ্যন্ত্রের বয়স তার প্রকৃত বয়সের তুলনায় অন্তত ১৪ বছর কম।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ সভায় ট্রাম্পকে চোখ বন্ধ অবস্থায় দেখা যাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। তবে এ বিষয়ে ট্রাম্পের ভাষ্য, “আমি ঘুমাইনি, শুধু চোখ বন্ধ করে রেখেছিলাম। কারণ, আমি দ্রুত সেখান থেকে বের হতে চাচ্ছিলাম।”
kalprakash.com/SAS
অনলাইন ডেস্ক 






















