বাংলাদেশ ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

ভারতজুড়ে আলোচনায় ব্যঙ্গাত্মক ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’

সংগৃহীত ছবি

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম—‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)’। অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ডিজিটাল আন্দোলন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়; বরং রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও অনলাইন প্রতিবাদের এক নতুন ধারা, যা তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

দলটির পেছনে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বোস্টন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ও পলিটিক্যাল কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজিস্ট অভিজিৎ দীপকে। তিনি জানান, এটি মূলত মজার ছলে শুরু হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া তৈরি করে।

প্রতিষ্ঠার পর কয়েক দিনের মধ্যেই সিজেপির ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে লাখো মানুষ যুক্ত হয় এবং #ম্যায়ভিককরোচ (আমিও আরশোলা) হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আলোচনায়ও এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের নাম উঠে আসে।

সিজেপি নিজেকে ‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’ এবং ‘প্রথাবিরোধী অনলাইন কমিউনিটি’ হিসেবে পরিচয় দেয়। সদস্যপদের শর্তও রাখা হয়েছে ব্যঙ্গাত্মকভাবে, যেখানে অলসতা, অনলাইন সক্রিয়তা ও অভিযোগ করার প্রবণতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অল্প সময়েই ইনস্টাগ্রামে এর ফলোয়ার সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে যায়, যা অনেক প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের অনলাইন উপস্থিতিকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তবে সমালোচকদের মতে, এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক আন্দোলন নয়; বরং পরিকল্পিত ডিজিটাল ব্যঙ্গ-প্রকল্প, যার মাধ্যমে তরুণদের ক্ষোভ ও হতাশাকে অনলাইন স্পেসে প্রকাশ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের মতো তরুণ জনসংখ্যা-প্রধান দেশে বেকারত্ব, বৈষম্য ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা এই ধরনের ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে।

তবে তারা এটিও মনে করেন, সিজেপির প্রভাব মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমাবদ্ধ, বাস্তব রাজনীতিতে এর প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়।

kalprakash.com/SS
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
ভারতজুড়ে আলোচনায় ব্যঙ্গাত্মক ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

ভারতজুড়ে আলোচনায় ব্যঙ্গাত্মক ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’

প্রকাশিত: ০১:০১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম—‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)’। অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ডিজিটাল আন্দোলন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়; বরং রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও অনলাইন প্রতিবাদের এক নতুন ধারা, যা তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

দলটির পেছনে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বোস্টন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ও পলিটিক্যাল কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজিস্ট অভিজিৎ দীপকে। তিনি জানান, এটি মূলত মজার ছলে শুরু হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া তৈরি করে।

প্রতিষ্ঠার পর কয়েক দিনের মধ্যেই সিজেপির ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে লাখো মানুষ যুক্ত হয় এবং #ম্যায়ভিককরোচ (আমিও আরশোলা) হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আলোচনায়ও এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের নাম উঠে আসে।

সিজেপি নিজেকে ‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’ এবং ‘প্রথাবিরোধী অনলাইন কমিউনিটি’ হিসেবে পরিচয় দেয়। সদস্যপদের শর্তও রাখা হয়েছে ব্যঙ্গাত্মকভাবে, যেখানে অলসতা, অনলাইন সক্রিয়তা ও অভিযোগ করার প্রবণতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অল্প সময়েই ইনস্টাগ্রামে এর ফলোয়ার সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে যায়, যা অনেক প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের অনলাইন উপস্থিতিকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তবে সমালোচকদের মতে, এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক আন্দোলন নয়; বরং পরিকল্পিত ডিজিটাল ব্যঙ্গ-প্রকল্প, যার মাধ্যমে তরুণদের ক্ষোভ ও হতাশাকে অনলাইন স্পেসে প্রকাশ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের মতো তরুণ জনসংখ্যা-প্রধান দেশে বেকারত্ব, বৈষম্য ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা এই ধরনের ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে।

তবে তারা এটিও মনে করেন, সিজেপির প্রভাব মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমাবদ্ধ, বাস্তব রাজনীতিতে এর প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়।

kalprakash.com/SS
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
ভারতজুড়ে আলোচনায় ব্যঙ্গাত্মক ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’