পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ২০২২ সালের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তদন্ত সংস্থা ‘ড্রপ সাইট’ একটি গোপন কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশের পর এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রকাশিত নথিতে দাবি করা হয়, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত তৎকালীন পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ডোনাল্ড লুর মধ্যে একটি বৈঠকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। নথির বরাতে বলা হয়, অনাস্থা ভোটে ইমরান খান ক্ষমতা হারালে পাকিস্তান–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নত হতে পারে—এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।
তবে এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড লু এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও আইনের শাসনকে সম্মান করে।
সাক্ষাৎকারে তাকে ওই কথিত বৈঠক ও মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্তারিত জবাব না দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তার বলার এটুকুই।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও জানিয়েছে, ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে বিদেশি কোনো ষড়যন্ত্রের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা ছাড়েন ইমরান খান। এরপর থেকে তিনি বারবার দাবি করে আসছেন যে, তার সরকার পতনের পেছনে বিদেশি চাপ ছিল। তবে ওয়াশিংটন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
নতুন এই নথি প্রকাশের পর বিষয়টি আবারও পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 




















