শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | দুপুর ৩:১৯:৪১

জাতীয় জীবনের নানা ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য : প্রধানমন্ত্রী

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৭:১৬
শেয়ার: mail
জাতীয় জীবনের নানা ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য : প্রধানমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

৭ মে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান অনস্বীকার্য। তার জীবনব্যাপী যুক্তিবোধ, মানবকল্যাণ ও মঙ্গলভাবনা আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীলতার মূল অনুপ্রেরণা ছিল বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ। কাব্য, সংগীত, উপন্যাস, নাটক, চিত্রকলা ও নৃত্যনাট্যের মাধ্যমে তিনি মানবতা, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান ছিল অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস। তার লেখা ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যা বাঙালির আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি লাভ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও উগ্রবাদের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

শিক্ষা বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন এবং পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিবৃতির শেষে তিনি রবীন্দ্রজয়ন্তীর সব আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

kalprakash.com/SS

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ | Globe kalprakash.com

জাতীয় জীবনের নানা ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য : প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত কমেন্টে