বাংলাদেশ ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo তেজগাঁও কলেজে বিএমবি ডিপার্টমেন্ট প্রধানের হজ্জ যাত্রায় দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo আমরা এনেছি লাল কার্ড: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo শেরপুরে পুলিশের জালে মাদক কারবারি, উদ্ধার ৬৭৫ ইয়াবা Logo গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে ৪ জনের মৃত্যু Logo বাগমারায় উন্নয়ন কমিটি ঘোষনা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে স্থানীয় সাংসদের মতবিনিময় Logo ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন পাবিপ্রবির ৩৮ শিক্ষার্থী Logo ‘চলচ্চিত্রে কিছু মশা জন্মেছে’—কার দিকে ইঙ্গিত ওমর সানীর? Logo মুক্তির এক দিন আগে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদ বাতিল Logo ফুলপ্রেমী কেয়া আর স্বপ্নবাজ তৌসিফের ‘অবশেষে তুমি এলে’ Logo আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে বড় উন্নতি শান্ত-নাহিদের

জাতীয় জীবনের নানা ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

৭ মে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান অনস্বীকার্য। তার জীবনব্যাপী যুক্তিবোধ, মানবকল্যাণ ও মঙ্গলভাবনা আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীলতার মূল অনুপ্রেরণা ছিল বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ। কাব্য, সংগীত, উপন্যাস, নাটক, চিত্রকলা ও নৃত্যনাট্যের মাধ্যমে তিনি মানবতা, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান ছিল অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস। তার লেখা ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যা বাঙালির আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি লাভ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও উগ্রবাদের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

শিক্ষা বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন এবং পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিবৃতির শেষে তিনি রবীন্দ্রজয়ন্তীর সব আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

তেজগাঁও কলেজে বিএমবি ডিপার্টমেন্ট প্রধানের হজ্জ যাত্রায় দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় জীবনের নানা ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৭:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

৭ মে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান অনস্বীকার্য। তার জীবনব্যাপী যুক্তিবোধ, মানবকল্যাণ ও মঙ্গলভাবনা আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীলতার মূল অনুপ্রেরণা ছিল বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ। কাব্য, সংগীত, উপন্যাস, নাটক, চিত্রকলা ও নৃত্যনাট্যের মাধ্যমে তিনি মানবতা, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান ছিল অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস। তার লেখা ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যা বাঙালির আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি লাভ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও উগ্রবাদের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

শিক্ষা বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন এবং পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিবৃতির শেষে তিনি রবীন্দ্রজয়ন্তীর সব আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

kalprakash.com/SS