বাংলাদেশ ০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আর্জেন্টিনা, ম্যাচ শেষে যা বললেন মেসি Logo জুলাই শহিদদের স্মরণে কুবি ছাত্রশক্তির মোমবাতি প্রজ্বলন ও দ্রোহের গান Logo বেরোবিতে অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা Logo সংগ্রামের গল্পের মর্মান্তিক সমাপ্তি: অকালেই থেমে গেল পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর জীবন Logo ছাত্রীদের গোপনে ছবি তোলার অভিযোগে নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার তথ্য Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছায়া জাতিসংঘের নতুন কমিটি Logo ডাইনিংয়ে শিক্ষার্থীদের অনাগ্রহ, বাড়ছে বাইরের খাবারের ওপর নির্ভরতা Logo সাড়ে তিন লাখ টাকা আত্মসাৎ, ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে গ্রেফতার Logo প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ৭৭০ পরিবার পাচ্ছে ছাগল Logo সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের ফজিলত, হাদিসে যা এসেছে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় বাড়তে পারে তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় কোনো সমঝোতা না হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত সপ্তাহ শেষে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়ায়, যা বছরের সর্বোচ্চ ১১৯ দশমিক ৪৫ ডলার থেকে কম হলেও নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণ সংস্থা পলিমার্কেটের এক জরিপে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম চলতি মাসেই ১০৫ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পার্লামেন্ট স্পিকার।

আলোচনার পর উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিমের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু শর্ত চাপানোর চেষ্টা করেছে যা তারা যুদ্ধক্ষেত্রেও অর্জন করতে পারেনি। অন্যদিকে ভ্যান্স অভিযোগ করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে রাজি হয়নি এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পএবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংঘাত আবার শুরু হতে পারে। ট্রাম্প বলেন, সমঝোতা না হলে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। নেতানিয়াহুও জানান, লক্ষ্য পূরণ না হলে প্রয়োজনে অভিযান পুনরায় শুরু করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে তেলের দাম দ্রুত ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যেতে পারে। কারণ ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে, যা বিশ্ব তেল পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ।

এছাড়া সম্ভাব্য সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের তেল স্থাপনায় হামলার ঝুঁকি এবং ইয়েমেনভিত্তিক গোষ্ঠীর কারণে লোহিত সাগরে পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যেখানে বিশ্ব তেলের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়।

বাজার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দাম ওঠানামা করলেও আলোচনায় অচলাবস্থার খবরে আবার ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে চলতি সপ্তাহে তেলের বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: ট্রেডিং ভিউ

kalprakash.com/SS

রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় বাড়তে পারে তেলের দাম
জনপ্রিয় সংবাদ

কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আর্জেন্টিনা, ম্যাচ শেষে যা বললেন মেসি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় বাড়তে পারে তেলের দাম

প্রকাশিত: ১২:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় কোনো সমঝোতা না হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত সপ্তাহ শেষে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়ায়, যা বছরের সর্বোচ্চ ১১৯ দশমিক ৪৫ ডলার থেকে কম হলেও নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণ সংস্থা পলিমার্কেটের এক জরিপে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম চলতি মাসেই ১০৫ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পার্লামেন্ট স্পিকার।

আলোচনার পর উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিমের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু শর্ত চাপানোর চেষ্টা করেছে যা তারা যুদ্ধক্ষেত্রেও অর্জন করতে পারেনি। অন্যদিকে ভ্যান্স অভিযোগ করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে রাজি হয়নি এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পএবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংঘাত আবার শুরু হতে পারে। ট্রাম্প বলেন, সমঝোতা না হলে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। নেতানিয়াহুও জানান, লক্ষ্য পূরণ না হলে প্রয়োজনে অভিযান পুনরায় শুরু করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে তেলের দাম দ্রুত ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যেতে পারে। কারণ ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে, যা বিশ্ব তেল পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ।

এছাড়া সম্ভাব্য সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের তেল স্থাপনায় হামলার ঝুঁকি এবং ইয়েমেনভিত্তিক গোষ্ঠীর কারণে লোহিত সাগরে পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যেখানে বিশ্ব তেলের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়।

বাজার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দাম ওঠানামা করলেও আলোচনায় অচলাবস্থার খবরে আবার ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে চলতি সপ্তাহে তেলের বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: ট্রেডিং ভিউ

kalprakash.com/SS

রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় বাড়তে পারে তেলের দাম