বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১১ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ১২:২৩:০০
শিরোনাম
৪৮ বছরেও সিপিএলে ফিরতে চান তাহির ইউপি নির্বাচনে বাড়ল জামানত, নতুন বিধিমালা জারি ফের প্যারিসের রানওয়েতে হাঁটবেন ঐশ্বরিয়া রাই ডলার ছাড়াই আমদানি-রপ্তানি, নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, জলাবদ্ধতার শঙ্কা পাঁচ দিন ধরে সাগরে ভাসছেন রাঙ্গাবালীর ১৮ জেলে অসুস্থ অবস্থায় বকেয়া আদায়ে আলটিমেটাম দিলেন শোয়েব আফগান সীমান্তে আটটি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি পাকিস্তানের গুলশান-বনানী থানায় নতুন ওসি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের জন্য জরুরি নির্দেশনা ৪৮ বছরেও সিপিএলে ফিরতে চান তাহির ইউপি নির্বাচনে বাড়ল জামানত, নতুন বিধিমালা জারি ফের প্যারিসের রানওয়েতে হাঁটবেন ঐশ্বরিয়া রাই ডলার ছাড়াই আমদানি-রপ্তানি, নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, জলাবদ্ধতার শঙ্কা পাঁচ দিন ধরে সাগরে ভাসছেন রাঙ্গাবালীর ১৮ জেলে অসুস্থ অবস্থায় বকেয়া আদায়ে আলটিমেটাম দিলেন শোয়েব আফগান সীমান্তে আটটি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি পাকিস্তানের গুলশান-বনানী থানায় নতুন ওসি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

হুথি হামলায় চাপে সৌদি, তেল রপ্তানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৩
শেয়ার: mail
হুথি হামলায় চাপে সৌদি, তেল রপ্তানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মধ্যে ক্রমেই কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে সৌদি আরব। লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলা রিয়াদের তেল বাণিজ্য ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে নতুন ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত অবস্থানও সৌদি নেতৃত্বের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহে হুথিরা সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়েছে। এতে দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এমনিতেই চাপের মধ্যে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও সৌদি আরবের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কংগ্রেস নির্বাচনের আগে অজনপ্রিয় ও দীর্ঘায়িত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী নন বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

ইরানের হাতে নতুন কৌশলগত সুবিধা

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছিল সৌদি আরব। তবে এখন পর্যন্ত তাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। ইরান, সৌদি আরব ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে পূর্বনির্ধারিত একটি বৈঠক গত সপ্তাহের শেষ দিকে আকস্মিকভাবে স্থগিত হয়ে যায়। দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের দূরত্বই এর কারণ বলে জানা গেছে।

লোহিত সাগরে হুথিদের অগ্রগতি বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়িয়েছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা শিথিল হওয়ায় ইরানের হাতে এসেছে আরেকটি কৌশলগত সুবিধা।

সৌদি আরবে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইকেল র‌্যাটনি সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে রিয়াদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তার মতে, ইরানের প্রতি তীব্র বৈরিতা থাকলেও সৌদি আরব কখনোই এই যুদ্ধ চায়নি। বরং যুদ্ধ নিয়ে দেশটির গভীর উদ্বেগ ছিল। সংঘাত শুরু হওয়ার পর সৌদির সবচেয়ে বড় আশঙ্কাগুলোই এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

তবে সৌদি সরকার এখনো পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সৌদি কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছেন, রিয়াদ নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। লোহিত সাগরে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করে যাবে সৌদি আরব।

সংকুচিত হচ্ছে সৌদির কৌশলগত অবস্থান

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত কয়েক বছর ধরে দেশটির সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। অতি-রক্ষণশীল সৌদি আরবকে আধুনিক, সমৃদ্ধ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করাই ছিল এসব উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

তবে ২০২৩ সালে ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় সেই পরিকল্পনা বড় ধাক্কা খায়। পরবর্তী সময়ে সংঘাতের বিস্তার ঘটে ইরান পর্যন্ত।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে। এতে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সৌদি আরব বিকল্প রপ্তানি পথ ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়। আরব উপদ্বীপের ভেতর দিয়ে পাইপলাইনে তেল লোহিত সাগরে নেওয়া হয়। এরপর মিসরের সুমেড পাইপলাইন ও সুয়েজ খাল হয়ে ইউরোপ এবং বাব আল-মানদেব প্রণালি হয়ে এশিয়ায় তেল পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

কিন্তু জুলাই থেকে হুথিদের সঙ্গে উত্তেজনা আবারও বাড়তে থাকে। লোহিত সাগরে সৌদি সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে অবরোধ ও হামলা জোরদার করে হুথিরা।

জটিল হচ্ছে হুথি সংকট

মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ইরান-সমর্থিত হুথিরা পূর্ব, দক্ষিণ ও উত্তর—তিন দিক থেকেই সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে।

আগস্টের শেষ দিকে হরমুজ প্রণালিতে একটি সৌদি তেল ট্যাংকারে হামলায় দুই নাবিক নিহত হন। এর পর গত সপ্তাহে হুথিরা দাবি করে, সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দরনগরী ও লোহিত সাগরের একটি দ্বীপ দখলে নিয়েছে তারা।

এর ফলে বাব আল-মানদেব প্রণালির মাধ্যমে সৌদি তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করার সক্ষমতা আরও বেড়েছে হুথিদের।

এর পরপরই রিয়াদ জানায়, দেশের পূর্বাঞ্চলের প্রধান তেলক্ষেত্রগুলো থেকে লোহিত সাগরগামী মূল পাইপলাইনে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে তারা। ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ড্রোন হামলার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার পর লোহিত সাগরে তেল পাঠানোর ক্ষেত্রে এটিই ছিল সৌদি আরবের প্রধান বিকল্প পথ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কপলারের তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রভাবে এশিয়ায় সৌদি তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের পতন হয়েছে। গত জুনে দৈনিক ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হলেও আগস্টে তা কমে ১ লাখ ২৮ হাজার ব্যারেলে নেমে আসে। চলতি মাসে তা কিছুটা বেড়ে দৈনিক প্রায় ৭ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।

২০১৫ সাল থেকে হুথিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি আরব। তবে ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির আগে দীর্ঘ সংঘাতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিহত হন এবং ইয়েমেন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।

সীমিত বিকল্পের মুখে রিয়াদ

চাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নিল কুইলিয়াম বলেন, সৌদি আরব কয়েক বছর ধরে ইয়েমেন সংঘাত থেকে বেরিয়ে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংস্কার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দিকে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছিল।

তার মতে, হুথিদের সাম্প্রতিক অগ্রগতি রিয়াদকে আবার সামরিক জবাব দেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে সৌদি আরবের সামনে থাকা প্রতিটি বিকল্পের সঙ্গেই বড় ধরনের ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী গবেষণা সংস্থা এসিএলইডির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রধান শেরওয়ান হিন্দরিন আলী বলেন, রিয়াদের সামনে সামরিক অভিযান জোরদার করে হুথিদের পিছু হটানো একটি সম্ভাব্য পথ। তবে এতে সংঘাত দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে হুথিদের হামলা আরও বাড়তে পারে।

তার মতে, অতীতেও সৌদি আরব একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। তবে বর্তমানে হুথিদের হাতে আগের তুলনায় অনেক বেশি অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে সৌদির প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিও তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় হুথি কিংবা তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইরানের সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার কূটনৈতিক পথও বেছে নিতে পারে সৌদি আরব।

তবে হুথিরা জানিয়েছে, তাদের ওপর থাকা সব ধরনের সৌদি অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। এই দাবি মেনে নিলে দীর্ঘমেয়াদে হুথিরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় ধরনের সুবিধা না পেলে ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তেহরানেরও খুব বেশি আগ্রহ থাকবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ওয়াশিংটনের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা

কয়েক দশক ধরে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে আসছে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো। ফলে বর্তমান সংকটের সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন পাশে দাঁড়াবে—এমন প্রত্যাশা রিয়াদের থাকা স্বাভাবিক।

তবে ট্রাম্পের ভূমিকা সেই আস্থায় বারবার প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯ সালে হুথিদের হামলায় সৌদি আরবের মোট তেল উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলেও ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি।

এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানে হামলার আগেও ট্রাম্প উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর ইরানি হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র কতটা সক্ষম—তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সৌদি আরবে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইকেল র‌্যাটনি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, সৌদি আরবের মতো একটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে শক্তিশালী নিরাপত্তা অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছে, তা মূলত এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রত্যাশা থেকেই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প।

বাইডেন প্রশাসনের সময় পেন্টাগনের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা ড্যান শাপিরো বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি অনিশ্চিত সংঘাতের মধ্যেই রয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর সঙ্গে নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও অস্ত্রের মজুত কমে আসার বিষয়টিও রয়েছে। এমন অবস্থায় ট্রাম্প নতুন কোনো যুদ্ধের ফ্রন্ট খুলতে চাইবেন না—এটাই স্বাভাবিক। তবে সৌদি আরবের জন্য এটি চরম হতাশাজনক।

হুথি সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবকে কতটা সামরিক সহায়তা দেবে, তা এখনো অনিশ্চিত। আপাতত ওয়াশিংটন রিয়াদকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

হুথি হামলায় চাপে সৌদি, তেল রপ্তানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

বিস্তারিত কমেন্টে