বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ২:৩০:৪৫
শিরোনাম
● ঝিনাইদহে তরুণীর লাশ নিয়ে মানববন্ধন, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ● বরগুনায় প্রাইভেটকার-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ ● অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর অঞ্চল-রংপুরে ৩৬ জনের নিয়োগ ● ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এইচআর ডিপার্টমেন্টে নিয়োগ ● ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেওয়া হবে না—যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি ● জাতীয় দল ছাড়ার কারণ জানালেন রোনালদো ● মামদানি মেয়র হওয়ার বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহর নিউইয়র্ক ● স্বর্ণের দামে বড় পতন ● বিচ্ছেদের আগে প্রীতম-শেহতাজের সম্পর্কে কী ঘটেছিল ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত ● ঝিনাইদহে তরুণীর লাশ নিয়ে মানববন্ধন, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ● বরগুনায় প্রাইভেটকার-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ ● অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর অঞ্চল-রংপুরে ৩৬ জনের নিয়োগ ● ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এইচআর ডিপার্টমেন্টে নিয়োগ ● ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেওয়া হবে না—যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি ● জাতীয় দল ছাড়ার কারণ জানালেন রোনালদো ● মামদানি মেয়র হওয়ার বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহর নিউইয়র্ক ● স্বর্ণের দামে বড় পতন ● বিচ্ছেদের আগে প্রীতম-শেহতাজের সম্পর্কে কী ঘটেছিল ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত

কোরবানির পশুর প্রতি দয়া করার গুরুত্ব

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯:১৬
শেয়ার: mail
কোরবানির পশুর প্রতি দয়া করার গুরুত্ব

কোরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ, তাকওয়া ও মানবিকতার এক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ইসলাম মানুষকে যেমন পরস্পরের প্রতি দয়া ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়, তেমনি পশুপাখির প্রতিও সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষ করে কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় যেন তাকে অযথা কষ্ট দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে শরিয়তে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তাআলা প্রতিটি কাজে ইহসান বা উত্তম আচরণকে আবশ্যক করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন পশু জবাই করবে তখন তা সুন্দর ও কোমলভাবে করবে, ছুরি ভালোভাবে ধারালো করবে এবং পশুকে কষ্ট থেকে যথাসম্ভব রক্ষা করবে। (তিরমিজি, হাদিস : ১৪০৯)

এ থেকেই বোঝা যায়, কোরবানির উদ্দেশ্য কখনো নিষ্ঠুরতা নয়; বরং দয়া, সংযম ও আল্লাহভীতির প্রকাশ। তাই জবাইয়ের সময় কিংবা পরবর্তী ধাপগুলোতেও মানবিকতা বজায় রাখা জরুরি।

দুঃখজনকভাবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পশু জবাই করার সঙ্গে সঙ্গেই চামড়া ছাড়ানো, পায়ের রগ কাটা বা শরীরের বিভিন্ন অংশে কাটাছেঁড়া শুরু করা হয়। অথচ তখনও পশুটি পুরোপুরি নিস্তেজ হয়নি। এতে প্রাণীটি তীব্র যন্ত্রণা ভোগ করে, যা ইসলামের শিক্ষা ও নৈতিকতার পরিপন্থী।

ফকিহরা স্পষ্টভাবে বলেছেন, পশু সম্পূর্ণ নিস্তেজ হওয়ার আগে চামড়া ছাড়ানো মাকরুহ। (আল-ইখতিয়ার : ৫/১২; বাদায়িউস সানায়ি : ৫/৬০) বিখ্যাত ফকিহ আল্লামা মাওসিলি রহ.ও বলেছেন, নিস্তেজ হওয়ার আগে চামড়া খসানো অপছন্দনীয় কাজ। অর্থাৎ পশুর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার আগেই তার শরীরে কাটাছেঁড়া শুরু করা শরিয়তের দৃষ্টিতে অনুচিত।

তবে এ ধরনের কাজ করা হলেও কোরবানির গোশত হারাম হয়ে যায় না; গোশত হালালই থাকে। (আল-ফাতাওয়াল হিন্দিয়্যা : ৫/২৮৭) কিন্তু এটি ইসলামের দয়া ও সৌন্দর্যের শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

কোরবানি আমাদের শেখায় আত্মত্যাগ, সহমর্মিতা ও নৈতিক উৎকর্ষ। তাই কোরবানির প্রতিটি ধাপে শরিয়তসম্মত ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। পশুকে অযথা কষ্ট না দেওয়া, জবাইয়ের পর পর্যাপ্ত সময় অপেক্ষা করা এবং সব কাজ ধৈর্য ও যত্নের সঙ্গে সম্পন্ন করাই প্রকৃত ইসলামী আদর্শের পরিচয়।

আল্লাহ তাআলা আমাদের কোরবানি কবুল করুন এবং আমাদের মধ্যে দয়া, তাকওয়া ও মানবিকতার গুণাবলি বৃদ্ধি করুন। আমিন।

kalprakash.com/SAS

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ | Globe kalprakash.com

কোরবানির পশুর প্রতি দয়া করার গুরুত্ব

বিস্তারিত কমেন্টে