সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ | ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২২ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | ভোর ৫:৫৪:৪৪
শিরোনাম
● ১০ টাকার নোট তুলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ● প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ● তেজগাঁও কলেজ সরকারি করার দাবিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি ● যানবাহনের গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি ● হাসপাতালে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ৫৪ কর্মকর্তা ● কূটনীতিক বহিষ্কারের মার্কিন দাবি নাকচ আরাঘচির ● সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক ● ২০ টাকার আলু ১৪ টাকায় ● এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম ● ইন্দোনেশিয়ায় ২ গণ্ডারের গর্ভধারণে বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় নতুন আশার আলো ● ১০ টাকার নোট তুলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ● প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ● তেজগাঁও কলেজ সরকারি করার দাবিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি ● যানবাহনের গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি ● হাসপাতালে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ৫৪ কর্মকর্তা ● কূটনীতিক বহিষ্কারের মার্কিন দাবি নাকচ আরাঘচির ● সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক ● ২০ টাকার আলু ১৪ টাকায় ● এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম ● ইন্দোনেশিয়ায় ২ গণ্ডারের গর্ভধারণে বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় নতুন আশার আলো

আইনের শাসন বনাম মব কালচার: অরাজনৈতিক শিক্ষকদের দাসত্ব আর কতদিন?

সাবির আমিন রেজা
সাবির আমিন রেজা
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৮
শেয়ার: mail
আইনের শাসন বনাম মব কালচার: অরাজনৈতিক শিক্ষকদের দাসত্ব আর কতদিন?

ছবি: এআই দ্বারা তৈরি (প্রতীকী ছবি)

সম্প্রতি মহামান্য হাইকোর্ট দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও চাকরির ক্ষেত্রে জোরপূর্বক পদত্যাগের নোংরা সংস্কৃতির রাশ টানতে একটি যুগান্তকারী এবং অত্যন্ত বাস্তবসম্মত পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে লিখে নেওয়া বা জোরপূর্বক আদায় করা পদত্যাগপত্রের কোনো আইনি বৈধতা নেই। বলপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য হওয়া শিক্ষকদের স্বপদে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আদালত কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—এই আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ (গভর্নিং বডি) বাতিল, সভাপতিকে অপসারণ এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমপিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। আলোচ্য বিষয়টি স্কুলকেন্দ্রিক হলেও এটি একটি শক্তিশালী আইনি নজির, যা দেশের সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে বলপূর্বক পদত্যাগের অপসংস্কৃতি বন্ধে দারুণভাবে কাজে আসবে।

এই রায়ের পটভূমিটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের ‘গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়’-এর প্রধান শিক্ষক মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট একদল দুষ্কৃতকারী জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করেছিল। পরদিনই তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং শিক্ষা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করেন। পরবর্তীতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাঁকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দিলেও স্কুল পরিচালনা পর্ষদ তা বাস্তবায়ন করেনি। ফলে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলার রায়ে স্পষ্ট করে বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের পূর্ণ এখতিয়ার শিক্ষা বোর্ডের রয়েছে এবং বোর্ডের নির্দেশ উপেক্ষা করা প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল, যা সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতা।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এই রায় অবশ্যই প্রশংসনীয় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি বড় চপেটাঘাত। কিন্তু মুদ্রার ওপিঠে যে বাস্তব চিত্রটি তৈরি হয়েছে, তা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার এক চরম বৈপরীত্য ও এক অদ্ভুত ‘লাভ-ক্ষতির’ সমীকরণকে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। এই রায়ের ফলে আমাদের সমাজের এমন একটি সুপ্ত ধারণা জেগে উঠছে, যা নিয়ে এতদিন কারও কোনো প্রকাশ্য ব্যথা থাকলেও তার কোনো প্রতিষেধক কেউ খোঁজেনি বা চায়নি। এসব বিষয়ে শিক্ষক সমাজ ও সংশ্লিষ্টদের মনে তীব্র অন্তর্জ্বালা থাকলেও তা কখনো প্রকাশ পায়নি বা প্রকাশের সুযোগ ছিল না কেবল চাকরি হারানোর ভয়ভীতির কারণে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রশ্নটি জোরালোভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে—আসলে এ ধরনের ঘটনায় কার লাভ হলো আর কার ক্ষতি? কেন দিনের পর দিন এই একই নোংরা ঘটনা ঘটে? যারা যখন এসব ঘটায়, তারা তো কোনো না কোনো রাজনৈতিক দল করেন বা সমর্থন করেন। অথচ এই রাজনৈতিক কোন্দল ও পটপরিবর্তনের কারণে যখন কেউ চাকরিচ্যুত হন কিংবা জোরপূর্বক অপসারিত হন, তখন তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক ও মনস্তাত্ত্বিক বোঝা তো দিনশেষে প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হয়। কোনো রাজনৈতিক তল্পিবাহক শিক্ষক, কর্মচারী কিংবা কর্মকর্তাকে নয়।

এখানে একটি প্রচলিত লোকগল্পের কথা মনে পড়ে যায়। সেই গৃহস্থের কথা, যিনি জমিতে নিড়ানির জন্য একজন সহজ-সরল কামলাসহ কয়েকজন ‘কামলা’ নিয়েছেন। দিনশেষে কাজের তদারকি ও মজুরি দেওয়ার সময় দেখলেন, অনেক জায়গায় নিড়ানি ভালো হয়নি। তখন কামলাদের জিজ্ঞেস করলেন, “এই অংশটা কে নিড়িয়েছে?” চালাক কামলারা সমস্বরে উত্তর দিল, “ওটা করেছে পাগলা (পাগল কামলা)!” গৃহস্থ আবার জিজ্ঞেস করলেন, “তাহলে ওই কোণের নিড়ানিটা কে দিয়েছে?” আবারও সমস্বরে উত্তর এলো, “জি, ওটাও পাগলা করেছে!” তখন বিরক্ত হয়ে গৃহস্থ বললেন, “যেহেতু সব ক্ষেত পাগলাই নিড়ানি দিয়েছে, তাহলে তো আজকের দিনের পুরো মজুরি পাগলাই পাবে!”

হায়! বাস্তবে যদি আমাদের সমাজে এমন গৃহস্থ থাকত, তবে সমাজের চিত্রটা ভিন্ন হতো। সহজ-সরল ‘পাগলারা’ সব অপরাধের বলির পাঁঠা হতো না এবং সেইসব পাগলাদেরকে শাস্তি দেওয়ার জন্য চতুর-চালাকরা ও সুবিধাভোগী গোষ্ঠী একজোট হয়ে সমাজ ও কর্তৃপক্ষকে উৎসাহিত করতে পারত না। ফলে আমাদের প্রতিষ্ঠানসমূহের আসল কাজের কাজীরাও শাস্তির মুখোমুখি হতো না ও ন্যায্য অধিকার থেকেও বঞ্চিত হতো না।

সবচেয়ে বড় বিড়ম্বনা ও তামাশা ঘটে তখন, যখন দল আবার ক্ষমতায় ফেরে কিংবা আদালতের রায়ে এই রাজনৈতিক শিক্ষকরা সগৌরবে প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসেন। তখন তাঁরা সমস্ত সুযোগ-সুবিধা এবং পদোন্নতি ‘পাই পাই’ করে বুঝে নেন, এমনকি মেতে ওঠেন প্রতিশোধের নোংরা খেলায়। প্রতিষ্ঠানজুড়ে শুরু করেন নতুন করে খবরদারি ও ক্ষমতার মাতব্বরি; অথচ দীর্ঘ সময় প্রতিষ্ঠানের কোনো রুটিন কাজকর্মে বা ক্লাসের দায়িত্বে তাঁরা ছিলেন না। অন্যদিকে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও প্রতিহিংসামূলক পরিস্থিতির চরম মাসুল গুনতে হয় স্বয়ং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিকে এবং সাধারণ ও অরাজনৈতিক শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের।

তবে এই প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার আসল ট্র্যাজেডিটি লুকিয়ে আছে অন্য জায়গায়—যেখানে অরাজনৈতিক ও সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীরা চিরকালই কলুর বলদ। তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে রুটিনমাফিক কাজ করেন, আবার সামান্য ভুলভ্রান্তিতে ধমক খান ও শাস্তি পান। প্রশ্ন হলো—কেন এই সাধারণ শিক্ষকেরা বছরের পর বছর এই বাড়তি কাজের বোঝা ও মানসিক ধকল নিজেদের ঘাড়ে টানবেন? শুধু তাঁরা কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি না করা সাধারণ, অরাজনৈতিক মানুষ বলে? দিনশেষে তাঁরা কি কোনো ন্যায্যতা পান? উত্তর হলো—না। কিন্তু কেন এই চিরন্তন দাসত্ব? কেন এই ‘জি-হুজুরি’ বা জিয়াপানার সংস্কৃতি আর কতদিন চলবে?

এই ‘জোর করে পদত্যাগ’ বা ‘পদত্যাগ করানোর’ নোংরা সংস্কৃতি আমাদের সমাজে বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে হয়তো এর মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছে এবং এর প্রচারও পেয়েছে অনেক বেশি হারে; কিন্তু মূল রোগটি অনেক গভীরে। আর এই রোগের মূল কারণ হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অবাধ ‘শিক্ষক রাজনীতি’। আমাদের দেশে শিক্ষক রাজনীতির আইনি বৈধতা রয়েছে। শিক্ষকরা প্রকাশ্যে বিভিন্ন রাজনীতির ব্যানারে ও দলে বিভক্ত হন, মিছিল-মিটিং করেন, ভোট চান, প্রার্থীর পক্ষে দিন-রাত খাটেন, এমনকি নিজেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হন।

এখন কথা হলো, রাজনীতি যখন দেশের আইনে সম্পূর্ণ বৈধ, তখন রাজনীতির কারণে শাস্তিমূলক বহিষ্কার বা বলপূর্বক পদত্যাগের মতো নোংরা খেলা কেন সম্পূর্ণ অবৈধ ও কাপুরুষোচিত উপায়ে সম্পন্ন হবে? আর যারা এই জঘন্য কাজে পেছন থেকে ইন্ধন জোগান কিংবা চেয়ার দখলের জন্য সরাসরি এই পরিস্থিতি ঘটান, তাঁরাও তো কোনো একটি রাজনৈতিক দলেরই কর্মী, নেতা বা সমর্থক। তাহলে কেন আইনের তোয়াক্কা না করে এই মব জাস্টিসের আশ্রয় নেওয়া? যারা ঐ চেয়ার দখল করছেন, তাঁরা কতটা যোগ্যতায় আর কতটা তোষামোদির পুরস্কারে তা পাচ্ছেন—এই প্রশ্ন আজ এড়ানোর কোনো সুযোগ আছে কি?

এমতাবস্থায়, অরাজনৈতিক ও সাধারণ শিক্ষকেরা এক বুক দীর্ঘশ্বাস চেপে কেবলই ভাবেন—হায় আফসোস! কবে সমাজের এই বন্ধ্যাত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের দেয়াল ভাঙবে? কবে প্রকৃত কাজের কাজীদের মূল্যায়ন হবে এবং ন্যায্য পাওনা পরিশোধ হবে সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতে—কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি কিংবা দেনদরবারের ওজনে নয়? কবে অবসান ঘটবে চাকরিচ্যুতির এই নোংরা অপসংস্কৃতির এবং সবাই একই সমকাতারের বাসিন্দা হতে পারবে?

এই গভীর ও পচে যাওয়া প্রাতিষ্ঠানিক সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কেবল আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। শিক্ষা প্রশাসন ও নীতিনির্ধারকদের জরুরি ভিত্তিতে তিনটি গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে:

প্রথমত, শিক্ষকদের পদত্যাগ প্রক্রিয়ার একটি কঠোর ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা তৈরি করা আবশ্যক: যেখানে কোনো মব বা চাপের মুখে তাৎক্ষণিক পদত্যাগ কার্যকর হবে না; বরং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা শিক্ষা বোর্ডের প্রত্যক্ষ শুনানির পর তা অনুমোদিত বা গৃহীত হবে।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধকরণ: দলীয় ব্যানার ও লেজুড়বৃত্তি বন্ধ করে ক্যাম্পাসে কেবল পেশাদার অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

তৃতীয়ত, স্বাধীন ‘শিক্ষক সুরক্ষা ও আপিল সেল’ গঠন: অরাজনৈতিক ও সাধারণ শিক্ষকদের যেকোনো ধরনের হয়রানি ও অন্যায্য শাস্তির হাত থেকে রক্ষা করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সেল গঠন করা এখন সময়ের দাবি।

কাজেই পরিশেষে বলব, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি এবং জোরপূর্বক পদত্যাগ কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু এই আইনি প্রক্রিয়ার সমান্তরালে যারা মাঠপর্যায়ে সততার সঙ্গে ডিউটি করে গেলেন, সেই সাধারণ শিক্ষকদের মানসিক শ্রম এবং কষ্টের অবমূল্যায়ন যেন না হয়। প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের এই চোরাবালি এবং লেজুড়বৃত্তির শিক্ষক রাজনীতি থেকে শিক্ষা প্রশাসনকে বের হয়ে আসতে হবে। নইলে ভবিষ্যতে আসল কাজের লোক বা ‘পাগলা’ শ্রমিকের বড় অভাব দেখা দেবে, আর চারপাশ শুধু সুবিধাবাদী ‘খাজা ভাইদের’ চাতুরীতে ভরে উঠবে।

লেখক: অধ্যাপক সাবির আমিন রেজা

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

আইনের শাসন বনাম মব কালচার: অরাজনৈতিক শিক্ষকদের দাসত্ব আর কতদিন?

বিস্তারিত কমেন্টে