রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | সন্ধ্যা ৭:৩৬:৩২

দাম্পত্যে সঙ্গীর কোন কোন আচরণ ক্ষতিকর? জেনে নিন ৫টি লক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২
শেয়ার: mail
দাম্পত্যে সঙ্গীর কোন কোন আচরণ ক্ষতিকর? জেনে নিন ৫টি লক্ষণ

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

দাম্পত্যের সূচনা সাধারণত ভালোবাসায় মোড়ানো এক রঙিন স্বপ্নের মতো হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক সম্পর্কেই তৈরি হয় মতের অমিল, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা রাগ। কোনো সম্পর্কই সবসময় নিখুঁত থাকে না; তবে সমস্যা তখনই প্রকট হয়ে ওঠে, যখন নেতিবাচক আচরণগুলো অভ্যাসে পরিণত হয় এবং একজন সঙ্গী ধীরে ধীরে নিজেকে ছোট, নিয়ন্ত্রিত কিংবা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মনে করতে শুরু করেন।

অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে সঙ্গীকে ‘টক্সিক’ বা ক্ষতিকর বলে থাকেন। তবে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনার ওপর ভিত্তি করে কাউকে তকমা না দিয়ে আচরণগুলোর পুনরাবৃত্তি ও তার প্রভাব বিবেচনা করা উচিত। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে দাম্পত্যে ক্ষতিকর ও নিয়ন্ত্রণমূলক কিছু আচরণের লক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। লক্ষণগুলো হলো—

১. প্রতিটি সমস্যার দায় চাপানো: দাম্পত্যে যেকোনো মতবিরোধে নিজের ভুল স্বীকার না করে সব দায় অপর সঙ্গীর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ নয়। সবসময় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে বাধ্য হওয়া সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করে।

২. মজার ছলে ছোট করা: দাম্পত্যে হাসি-ঠাট্টা স্বাভাবিক হলেও তা যদি নিয়মিত সঙ্গীর চেহারা, পেশা, বুদ্ধি কিংবা ব্যক্তিত্বকে আঘাত করে, তখন তা আর নিছক মজা থাকে না। মজার আড়ালে ক্রমাগত অপমান আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

৩. অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি: বিয়ের পরও প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব ব্যক্তিস্বাধীনতা থাকে। কার সঙ্গে কথা বলছেন, কোথায় যাচ্ছেন তা নিয়ে অতিরিক্ত বিধিনিষেধ, সার্বক্ষণিক নজরদারি কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করায় বাধা দেওয়া নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

৪. অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া: কষ্ট পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশের পর যদি তা বারবার তুচ্ছ বা উপেক্ষা করা হয়, তবে ব্যক্তি একসময় কথা বলা বন্ধ করে দেয়। সুস্থ সম্পর্কে পরস্পরের অনুভূতি ও আবেগকে মূল্যায়ন করা জরুরি।

৫. সবসময় রাগ এড়িয়ে চলার ভয়: সঙ্গীর মেজাজ খারাপ বা ঝগড়া এড়াতে সবসময় হিসাব করে কথা বলা কিংবা নিজের কথা চেপে রাখা অস্বাস্থ্যকর দাম্পত্যের লক্ষণ। ভয় বা অস্বস্তি নিয়ে বেশি দিন স্বাভাবিক থাকা যায় না।

তবে এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা গেলেই কাউকে চূড়ান্তভাবে দায়ী করা ঠিক নয়। এর পেছনে মানসিক চাপসহ নানা কারণ থাকতে পারে। তাই পারস্পরিক দোষারোপ না করে খোলামেলা আলোচনা ও প্রয়োজনে পারিবারিক বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া উচিত। কারণ সুস্থ সম্পর্কের মূলভিত্তি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সহমর্মিতা।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

দাম্পত্যে সঙ্গীর কোন কোন আচরণ ক্ষতিকর? জেনে নিন ৫টি লক্ষণ

বিস্তারিত কমেন্টে