রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | সন্ধ্যা ৭:২৭:৪৫

স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে সপরিবারে ব্রিটেনে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮
শেয়ার: mail
স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে সপরিবারে ব্রিটেনে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

পরিবার নিয়ে শিগগিরই যুক্তরাজ্যে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি। এর মধ্য দিয়ে তাঁর ঘটনাবহুল জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধ, নিরাপত্তা নিয়ে আইনি লড়াই এবং সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা—সব মিলিয়ে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন একসময় ছিল প্রায় অকল্পনীয়।

৪১ বছর বয়সী হ্যারি রাজপরিবারের কঠোর নিয়মকানুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই মানিয়ে নিতে পারেননি। ছয় বছর আগে স্ত্রী মেগান মার্কেলকে সঙ্গে নিয়ে রাজকীয় দায়িত্ব ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। এবার যুক্তরাজ্যে ফিরলেও সিংহাসনের উত্তরাধিকারী বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম ও তাঁর স্ত্রী প্রিন্সেস ক্যাথরিনের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তবে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইরত বাবা রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে হ্যারির সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনের ইতি টেনে হ্যারির দেশে ফেরার পর রাজপরিবারের ভাঙা সম্পর্ক কতটা জোড়া লাগবে, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। রাজপরিবারের ইতিহাসবিদ এড ওওয়েন্স এএফপিকে বলেন, ‘এই ফিরে আসার অন্যতম প্রধান কারণ হলো রাজা ও বৃহত্তর রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন। এই বিভেদ ও ক্ষতগুলো সারিয়ে তোলা না গেলে তা সামগ্রিকভাবে রাজতন্ত্রের ভাবমূর্তির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

অন্যদিকে রাজপরিবারবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফিটজউইলিয়ামস বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা হ্যারি ও মেগানকে মেনে নিতে হবে। কারণ অতীতে তাঁরা রাজপরিবার নিয়ে বেশ কিছু কঠোর মন্তব্য করেছিলেন।’

১৯৮৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারী হ্যারির জীবন শৈশব থেকেই ছিল আলোচনায়। ১৯৯৭ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে মা প্রিন্সেস ডায়ানাকে হারানোর গভীর মানসিক আঘাত তাঁর পরবর্তী জীবনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। অভিজাত ইটন কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি এক দশক ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং দুই দফা আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে তিনি আহত সেনাসদস্যদের জন্য আন্তর্জাতিক ‘ইনভিক্টাস গেমস’ প্রতিষ্ঠা করেন।

২০১৮ সালে উইন্ডসর ক্যাসেলে মেগান মার্কেলের সঙ্গে হ্যারির রাজকীয় বিয়ের পর ২০১৯ সালে তাঁদের সন্তান আর্চির জন্ম হয়। তবে রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের জেরে ২০২০ সালের শুরুতেই রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান এই দম্পতি।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে সপরিবারে ব্রিটেনে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি

বিস্তারিত কমেন্টে