বাংলাদেশ ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আসামিপক্ষে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঢাকা বারের আইনজীবীদের

শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি (ঢাকা বার)।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান তার ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী এই মামলায় আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।

মামলার ঘটনায় রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথাও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনায় প্রথমে সন্দেহভাজন হিসেবে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।

তদন্ত অনুযায়ী, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন এবং জানালার গ্রিল কেটে বেরিয়ে যান। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

kalprakash.com/SS
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আসামিপক্ষে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঢাকা বারের আইনজীবীদের

প্রকাশিত: ১০:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি (ঢাকা বার)।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান তার ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী এই মামলায় আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।

মামলার ঘটনায় রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথাও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনায় প্রথমে সন্দেহভাজন হিসেবে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।

তদন্ত অনুযায়ী, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন এবং জানালার গ্রিল কেটে বেরিয়ে যান। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

kalprakash.com/SS