বাংলাদেশ ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আশুলিয়ায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে গার্মেন্টসকর্মী স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার ৭ম অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক জানান, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জামিনে পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, রেজাউল করিম তার স্ত্রী সিমা আক্তার ও আট বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় বসবাস করতেন। সিমা একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন, তবে রেজাউল কোনো কাজ করতেন না। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোরে তাদের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে রেজাউল স্ত্রীকে মাথায় আঘাত ও গলা কেটে হত্যা করেন। পরে পালানোর সময় বাড়ির মালিক তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঘটনার দিনই নিহতের বাবা আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে রেজাউল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ০২:৩১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে গার্মেন্টসকর্মী স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার ৭ম অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক জানান, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জামিনে পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, রেজাউল করিম তার স্ত্রী সিমা আক্তার ও আট বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় বসবাস করতেন। সিমা একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন, তবে রেজাউল কোনো কাজ করতেন না। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোরে তাদের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে রেজাউল স্ত্রীকে মাথায় আঘাত ও গলা কেটে হত্যা করেন। পরে পালানোর সময় বাড়ির মালিক তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঘটনার দিনই নিহতের বাবা আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে রেজাউল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

kalprakash.com/SS