বাংলাদেশ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

চার মাস পর আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে আবারও নিয়োগ পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৪ মে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বলে মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তখন তার স্থলে কবি ও প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ (সাখাওয়াত টিপু)কে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও আফসানা বেগমকে একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তার মেয়াদ দুই বছর নির্ধারিত ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তার নিয়োগ বাতিল করা হয়।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ কার্যকর হবে যোগদানের তারিখ থেকে, তবে অন্য কোনো পেশা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক বজায় রাখা যাবে না। চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নিয়োগের অন্যান্য শর্ত নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে আফসানা বেগম অভিযোগ করেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে সরানো হয়েছিল। তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের বই নির্বাচন নীতিমালা নিয়ে মতবিরোধের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, বই নির্বাচনে কোটা পদ্ধতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে যোগ্য বই ও লেখকদের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। তার মতে, এ ব্যবস্থায় অনিয়ম ও পক্ষপাতের সুযোগ তৈরি হয়।

আফসানা বেগম আরও জানান, দায়িত্বে থাকাকালে তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের আধুনিকায়ন, পাঠাগার পুনরুজ্জীবন, আন্তর্জাতিক বইমেলা সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল গবেষণা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন।

তার মতে, একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থনীতি বাস্তবায়ন ছাড়া জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও পাঠাগার ব্যবস্থার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

চার মাস পর আবারও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম

প্রকাশিত: ০৫:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে আবারও নিয়োগ পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৪ মে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বলে মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তখন তার স্থলে কবি ও প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ (সাখাওয়াত টিপু)কে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও আফসানা বেগমকে একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তার মেয়াদ দুই বছর নির্ধারিত ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তার নিয়োগ বাতিল করা হয়।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ কার্যকর হবে যোগদানের তারিখ থেকে, তবে অন্য কোনো পেশা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক বজায় রাখা যাবে না। চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নিয়োগের অন্যান্য শর্ত নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে আফসানা বেগম অভিযোগ করেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে সরানো হয়েছিল। তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের বই নির্বাচন নীতিমালা নিয়ে মতবিরোধের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, বই নির্বাচনে কোটা পদ্ধতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে যোগ্য বই ও লেখকদের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। তার মতে, এ ব্যবস্থায় অনিয়ম ও পক্ষপাতের সুযোগ তৈরি হয়।

আফসানা বেগম আরও জানান, দায়িত্বে থাকাকালে তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের আধুনিকায়ন, পাঠাগার পুনরুজ্জীবন, আন্তর্জাতিক বইমেলা সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল গবেষণা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন।

তার মতে, একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থনীতি বাস্তবায়ন ছাড়া জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও পাঠাগার ব্যবস্থার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।

kalprakash.com/SS