বাংলাদেশ ০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বিএনপির এমপি হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সুবর্ণা Logo ১৮টি দেশে কর্মী পাঠানোর চুক্তি হয়েছে: নুরুল হক Logo চীনা স্যাটেলাইটে ইরানের লক্ষ্যভেদ ক্ষমতা বেড়েছে বলে দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা Logo ‘পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জনগণকে দেওয়া হবে’—তারেক রহমান Logo চিতলমারীতে ১৫ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দিতে মাঠে নামল স্বাস্থ্য বিভাগ Logo পোশাক খাতে পডকাস্ট সিরিজ চালু করল বিজিএমইএ Logo বাংলাদেশে ১ কোটি ৫৩ লাখ ভিডিও সরাল টিকটক, কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের কারণে অপসারণ Logo সাংবাদিকের ডাকে ক্ষুব্ধ শ্রুতি হাসান, বললেন ‘আমি আপনার মা নাকি?’ Logo জুহি চাওলাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন সালমান খান, পুরোনো সাক্ষাৎকার ফের আলোচনায় Logo প্রচণ্ড মাথাব্যথায় রাসুল (সা.) যে দোয়া পড়তে বলেছেন

দ্বিনি বিষয়ে যাদের পরামর্শ নেবেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ০৪:৩৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

মানবজীবনের সাফল্য ও মুক্তি বিশুদ্ধ ঈমানের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোনো বিষয়ে ঈমান স্থাপনের আগে অবশ্যই তার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি। বিশেষত, ব্যক্তি যদি শরিয়তের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হন, তবে তার কথার ভিত্তিতে ঈমানসংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।

এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর পর সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হলেন সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। তাঁদের পর তাবেয়ি ও তাবে-তাবেয়িগণ। এরপরের যুগে মুজতাহিদ ইমামরা দ্বিনের বিষয়ে ব্যাখ্যা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,
যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাই সত্য; এটা পরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর পথনির্দেশ করে। (সুরা সাবা, আয়াত ৬)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে,
বলুন, সব প্রশংসা আল্লাহরই এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাদের প্রতি। (সুরা নামল, আয়াত ৫৯)

তাফসিরবিদদের মতে, এসব আয়াতে সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতার ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে ঈমান ও ইসলামের প্রশ্নে তাঁদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, তারা জ্ঞান, ইজতিহাদ, আল্লাহভীতি ও প্রজ্ঞায় আমাদের চেয়ে অগ্রগণ্য। আমাদের কাছে তাঁদের মতামত নিজস্ব মতামতের চেয়ে অধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রশংসনীয়। (আল-মাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা, পৃষ্ঠা ১১০)

সাহাবিদের পর তাবেয়িদের অবস্থান। ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রহ.) বলেন, তাঁদেরকে আল্লাহ দ্বিন প্রতিষ্ঠা, সীমা-নির্দেশনা রক্ষা এবং রাসুলের সুন্নাহ সংরক্ষণের জন্য মনোনীত করেছেন। (আল-জারহু ওয়াত-তাদিল ১/৮)

হাদিসে বর্ণিত উত্তম যুগ অর্থাৎ তাবে-তাবেয়িদের পরবর্তী সময়ে মুজতাহিদ ইমাম ও আলেমরা দ্বিনের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। আল্লাহ বলেন,
যারা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের অনুসরণ করে, আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। (সুরা তাওবা, আয়াত ১০০)

উল্লেখ্য, ঈমানসংক্রান্ত অধিকাংশ মৌলিক বিষয় রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবিদের যুগেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়েছে। পরবর্তী যুগের ইমামরা শাখাগত বিষয়গুলোর সমাধান দিয়েছেন।

তাই বর্তমান সময়ে ঈমানের মৌলিক ও প্রধান শাখাগত বিষয়ে অযথা প্রশ্ন তোলা বা বিতর্ক সৃষ্টি করা সমীচীন নয়।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির এমপি হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সুবর্ণা

দ্বিনি বিষয়ে যাদের পরামর্শ নেবেন

প্রকাশিত: ০৪:৩৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মানবজীবনের সাফল্য ও মুক্তি বিশুদ্ধ ঈমানের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোনো বিষয়ে ঈমান স্থাপনের আগে অবশ্যই তার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি। বিশেষত, ব্যক্তি যদি শরিয়তের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হন, তবে তার কথার ভিত্তিতে ঈমানসংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।

এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর পর সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হলেন সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। তাঁদের পর তাবেয়ি ও তাবে-তাবেয়িগণ। এরপরের যুগে মুজতাহিদ ইমামরা দ্বিনের বিষয়ে ব্যাখ্যা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,
যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাই সত্য; এটা পরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর পথনির্দেশ করে। (সুরা সাবা, আয়াত ৬)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে,
বলুন, সব প্রশংসা আল্লাহরই এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাদের প্রতি। (সুরা নামল, আয়াত ৫৯)

তাফসিরবিদদের মতে, এসব আয়াতে সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতার ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে ঈমান ও ইসলামের প্রশ্নে তাঁদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, তারা জ্ঞান, ইজতিহাদ, আল্লাহভীতি ও প্রজ্ঞায় আমাদের চেয়ে অগ্রগণ্য। আমাদের কাছে তাঁদের মতামত নিজস্ব মতামতের চেয়ে অধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রশংসনীয়। (আল-মাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা, পৃষ্ঠা ১১০)

সাহাবিদের পর তাবেয়িদের অবস্থান। ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রহ.) বলেন, তাঁদেরকে আল্লাহ দ্বিন প্রতিষ্ঠা, সীমা-নির্দেশনা রক্ষা এবং রাসুলের সুন্নাহ সংরক্ষণের জন্য মনোনীত করেছেন। (আল-জারহু ওয়াত-তাদিল ১/৮)

হাদিসে বর্ণিত উত্তম যুগ অর্থাৎ তাবে-তাবেয়িদের পরবর্তী সময়ে মুজতাহিদ ইমাম ও আলেমরা দ্বিনের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। আল্লাহ বলেন,
যারা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের অনুসরণ করে, আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। (সুরা তাওবা, আয়াত ১০০)

উল্লেখ্য, ঈমানসংক্রান্ত অধিকাংশ মৌলিক বিষয় রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবিদের যুগেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়েছে। পরবর্তী যুগের ইমামরা শাখাগত বিষয়গুলোর সমাধান দিয়েছেন।

তাই বর্তমান সময়ে ঈমানের মৌলিক ও প্রধান শাখাগত বিষয়ে অযথা প্রশ্ন তোলা বা বিতর্ক সৃষ্টি করা সমীচীন নয়।

kalprakash.com/SS