বাংলাদেশ ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo সুন্দরগঞ্জে হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন Logo দেবিদ্বারে মাদ্রাসার দেয়াল ধসে ৭ বছরের শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo তেজগাঁও কলেজ ছাত্রশিবিরের তিন দিনব্যাপী প্রকাশনা উৎসব শুরু Logo কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যার প্রতিবাদে তেজগাঁও কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ Logo কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত Logo স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আরসিবি’র কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo কুবি শিক্ষার্থীদের রাতের যাতায়াত সুবিধার্থে দুটি বাস বৃদ্ধি Logo ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবারও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলার দাবি হিজবুল্লাহর Logo ইরানে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৯৬০ জনকে জীবিত উদ্ধার

আবার ১০০ ডলারের ওপরে তেলের দাম, বিশ্ববাজারে নতুন অস্থিরতা

  • বাণিজ্য ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ১২:০৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৬ বার দেখা হয়েছে

ছবি: রয়টার্স

এশিয়ার জ্বালানি বাজারে আবারও তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন কোনো চুক্তি ছাড়াই আলোচনা শেষ হওয়া এবং ইরানের বন্দর অবরোধের ঘোষণা ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে পশ্চিম টেক্সাস মধ্যবর্তী (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১০৪ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছিল। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা ফের দেখা দিয়েছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি বেড়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। সিঙ্গাপুরের এক অর্থনীতিবিদ বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে তেলের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে।

এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ও দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক উভয়ই কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টক ফিউচারেও দরপতনের ইঙ্গিত মিলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীলতা থাকায় এশিয়ার দেশগুলো এই সংকটের প্রভাব বেশি অনুভব করছে।

অন্যদিকে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানগামী ও ইরান থেকে আসা জাহাজগুলোই কেবল বাধাগ্রস্ত হবে, অন্য আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনো ধরনের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে যেকোনো পদক্ষেপ কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আবার ১০০ ডলারের ওপরে তেলের দাম, বিশ্ববাজারে নতুন অস্থিরতা

প্রকাশিত: ১২:০৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

এশিয়ার জ্বালানি বাজারে আবারও তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন কোনো চুক্তি ছাড়াই আলোচনা শেষ হওয়া এবং ইরানের বন্দর অবরোধের ঘোষণা ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে পশ্চিম টেক্সাস মধ্যবর্তী (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১০৪ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছিল। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা ফের দেখা দিয়েছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি বেড়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। সিঙ্গাপুরের এক অর্থনীতিবিদ বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে তেলের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে।

এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ও দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক উভয়ই কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টক ফিউচারেও দরপতনের ইঙ্গিত মিলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীলতা থাকায় এশিয়ার দেশগুলো এই সংকটের প্রভাব বেশি অনুভব করছে।

অন্যদিকে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানগামী ও ইরান থেকে আসা জাহাজগুলোই কেবল বাধাগ্রস্ত হবে, অন্য আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনো ধরনের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে যেকোনো পদক্ষেপ কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

kalprakash.com/SS