বাংলাদেশ ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আল্লাহর রহমত ১০০ ভাগ: দুনিয়া ও আখিরাতে দয়ার বিস্ময়কর বণ্টন

সংগৃহীত ছবি

হাদিস শরিফে আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের এক অনন্য বর্ণনা পাওয়া যায়, যা মানবজাতির জন্য গভীর আশার বার্তা বহন করে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমতকে ১০০ ভাগে ভাগ করেছেন। এর মধ্যে ৯৯ ভাগ তিনি নিজের কাছে সংরক্ষিত রেখেছেন এবং মাত্র এক ভাগ দুনিয়াতে নাজিল করেছেন। এই এক ভাগ রহমতের কারণেই পৃথিবীতে মানুষ, প্রাণী, এমনকি পশু-পাখির মধ্যেও পরস্পরের প্রতি দয়া ও ভালোবাসা দেখা যায়। এমনকি একটি প্রাণীও তার সন্তানের প্রতি মমতা অনুভব করে এবং কষ্ট থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।

অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, এই এক ভাগ রহমতের মধ্যেই রয়েছে মানুষ, জিন, পশু-পাখি ও সব সৃষ্টির পারস্পরিক দয়া-মায়ার উৎস। মায়ের সন্তানের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রাণীদের একে অপরের প্রতি সহানুভূতিও এই রহমতেরই প্রতিফলন।

আর বাকি ৯৯ ভাগ রহমত আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিনের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন, যা দিয়ে তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণ দয়া ও অনুগ্রহ করবেন।

অন্য একটি হাদিসে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তাআলা আসমান-জমিন সৃষ্টির সময় ১০০টি রহমত সৃষ্টি করেন। এর একটি রহমতের পরিমাণ এত বিশাল যে তা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী বিস্তৃতির সমান। এই এক ভাগ রহমতের কারণেই পৃথিবীতে দয়া ও মানবিকতা বিদ্যমান। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাঁর অবশিষ্ট রহমত প্রকাশ করবেন।

এই বর্ণনাগুলো পাওয়া যায় সহিহ বুখারি (হাদিস নম্বর: ৬০০০) এবং সহিহ মুসলিম (হাদিস নম্বর: ৬৯৭২) গ্রন্থে।

এই হাদিসগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আল্লাহর রহমত সীমাহীন, এবং দুনিয়ার সব দয়া-মায়া তাঁর রহমতেরই একটি ক্ষুদ্র অংশমাত্র।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

আল্লাহর রহমত ১০০ ভাগ: দুনিয়া ও আখিরাতে দয়ার বিস্ময়কর বণ্টন

প্রকাশিত: ০৬:০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

হাদিস শরিফে আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের এক অনন্য বর্ণনা পাওয়া যায়, যা মানবজাতির জন্য গভীর আশার বার্তা বহন করে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমতকে ১০০ ভাগে ভাগ করেছেন। এর মধ্যে ৯৯ ভাগ তিনি নিজের কাছে সংরক্ষিত রেখেছেন এবং মাত্র এক ভাগ দুনিয়াতে নাজিল করেছেন। এই এক ভাগ রহমতের কারণেই পৃথিবীতে মানুষ, প্রাণী, এমনকি পশু-পাখির মধ্যেও পরস্পরের প্রতি দয়া ও ভালোবাসা দেখা যায়। এমনকি একটি প্রাণীও তার সন্তানের প্রতি মমতা অনুভব করে এবং কষ্ট থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।

অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, এই এক ভাগ রহমতের মধ্যেই রয়েছে মানুষ, জিন, পশু-পাখি ও সব সৃষ্টির পারস্পরিক দয়া-মায়ার উৎস। মায়ের সন্তানের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রাণীদের একে অপরের প্রতি সহানুভূতিও এই রহমতেরই প্রতিফলন।

আর বাকি ৯৯ ভাগ রহমত আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিনের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন, যা দিয়ে তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণ দয়া ও অনুগ্রহ করবেন।

অন্য একটি হাদিসে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তাআলা আসমান-জমিন সৃষ্টির সময় ১০০টি রহমত সৃষ্টি করেন। এর একটি রহমতের পরিমাণ এত বিশাল যে তা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী বিস্তৃতির সমান। এই এক ভাগ রহমতের কারণেই পৃথিবীতে দয়া ও মানবিকতা বিদ্যমান। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাঁর অবশিষ্ট রহমত প্রকাশ করবেন।

এই বর্ণনাগুলো পাওয়া যায় সহিহ বুখারি (হাদিস নম্বর: ৬০০০) এবং সহিহ মুসলিম (হাদিস নম্বর: ৬৯৭২) গ্রন্থে।

এই হাদিসগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আল্লাহর রহমত সীমাহীন, এবং দুনিয়ার সব দয়া-মায়া তাঁর রহমতেরই একটি ক্ষুদ্র অংশমাত্র।

kalprakash.com/SS