দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং এই উদ্যোগকে জাতির স্বাস্থ্যের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই আইন কার্যকর হলে একটি ধূমপানমুক্ত প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা আজীবন তামাকাসক্তির ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
বিল অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারির পর জন্ম নেওয়া কেউই জীবনে কখনো বৈধভাবে সিগারেট কিনতে পারবে না। রাজকীয় অনুমোদন পেলে আইনটি কার্যকর হবে।
নতুন আইনের আওতায় শিশুদের খেলার মাঠ, স্কুল ও হাসপাতালের বাইরের মতো উন্মুক্ত স্থানেও ধূমপান নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে সরকার। পাশাপাশি ভেইপের স্বাদ, প্যাকেজিং ও বিক্রিতেও কড়াকড়ি আরোপ করা হবে এবং যেসব জায়গায় ধূমপান নিষিদ্ধ, সেখানে ভেইপিংও বন্ধ করা যাবে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ কমানোই এই বিলের মূল লক্ষ্য। জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা Action on Smoking and Health এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২২ সালে প্রথম দেশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড একই ধরনের আইন প্রণয়ন করলেও পরে তা বাতিল করা হয়। এছাড়া মালদ্বীপ-এও নির্দিষ্ট বছরের পর জন্ম নেওয়াদের কাছে সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা NHS-এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইংল্যান্ডেই প্রতি বছর প্রায় ৭৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় ধূমপানের কারণে, যা মোট মৃত্যুর প্রায় এক-চতুর্থাংশের জন্য দায়ী।